সঞ্জীব চৌধুরী। যাকে অনেকেই মিস করেন, প্রতিদিন। তেমনই তার শূন্যতা ও অভাববোধের কথা জানালেন ব্যান্ডমেট ও বন্ধু বাপ্পা মজুমদার।
এ গায়ক জানালেন, সঞ্জীবকে প্রতিদিন ও প্রতি মুহূর্তে মিস করেন তিনি।
প্রয়াত সঞ্জীবের মৃত্যুবার্ষিকী বৃহস্পতিবার। ১৩ বছর আগে ২০০৭ সালের এ দিনের প্রথম প্রহরে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে মারা যান অনেক কথা ও গানের এ প্রিয়মুখ।
তাকে স্মরণ করে বুধবার দিবাগত রাতে বাপ্পা ফেইসবুকে লেখেন, “দাদা, আমরা আপনাকে মিস করি, প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে যেখানেই থাকেন, ভালো থাকবেন ...।” সঙ্গে যোগ করে সঞ্জীবের একটি ছবি।
সঞ্জীব চৌধুরীর জন্ম ২৫ ডিসেম্বর ১৯৬৪ সালে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার মাকালকান্দি গ্রামে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা সঞ্জীব চৌধুরী আশির দশকে সাংবাদিকতা শুরু করেন। আজকের কাগজ, ভোরের কাগজ, যায়যায়দিনসহ বিভিন্ন দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায় কাজ করেন তিনি।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি শুরুর দিকে ‘শঙ্খচিল’ নামের একটি দলে সংগীতচর্চাও করতেন। এরপর ১৯৯৬ সালে বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে গড়ে তোলেন ব্যান্ড ‘দলছুট’। সঞ্জীব চৌধুরী ও বাপ্পার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ব্যান্ডের অ্যালবামগুলো হলো আহ্ (১৯৯৭), হৃদয়পুর (২০০০), আকাশচুরি (২০০২) ও জোছনা বিহার (২০০৭)।
সঞ্জীব চৌধুরীর গাওয়া জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘বায়স্কোপ’, ‘আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল চাঁদ’, ‘আমি তোমাকে বলে দিব’, ‘রিকশা’, ‘কথা বলবো না’, ‘সাদা ময়লা রঙ্গিলা পালে আউলা বাতাস খেলে’, ‘চোখ’, ‘তখন ছিল ভীষণ অন্ধকার’, ‘আহ ইয়াসমিন’ প্রভৃতি। এ ছাড়া কণ্ঠে তোলেন শাহ আবদুল করিমের ‘গাড়ি চলে না’ ও ‘কোন মেস্তরি বানাইয়াছে নাও’।
