অন্যরকম বিজ্ঞানবাক্স সিরিজের স্মার্টকিট ‘ক্যাপ্টেন কিউরিয়াস’-এর কথা আজ তোমরা জানবে। আবিষ্কারের নেশা সৃষ্টির পেছনে দারুণ ভূমিকা রাখবে এই কিট। বিজ্ঞান বইটি শুধু বই-খাতা এবং পরীক্ষার নম্বর পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা হয়ে উঠবে তোমার বিজ্ঞানী হয়ে ওঠার পেছনের কারিগর। লিখেছেন ইজাজুল হক
কেন এই কিট : বিজ্ঞান বইয়ের ছোট ছোট থিওরিগুলো দিয়েই প্রযুক্তির দুনিয়ার বড় বড় সব পরিবর্তন ও আবিষ্কার হয়ে থাকে। তবে তোমরা তেমন কোনো বড় পরিসরে সেসব আবিষ্কার সরাসরি দেখার সুযোগ পাও না। ফলে তোমাদের কাছে বিজ্ঞান পড়াটা কেবলই স্কুলের হোমওয়ার্ক এবং পরীক্ষার খাতায় ভালো নম্বর তোলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ‘ক্যাপ্টেন কিউরিয়াস’ তোমাকে দেখাবে, বিজ্ঞান বইয়ের ছোট থিওরি দিয়ে কীভাবে একটি বড় প্রযুক্তি তৈরি হয়।
উপকারিতা : স্মার্টকিটটি দিয়ে বিজ্ঞানের থিওরিগুলো শেখার পাশাপাশি তোমরা নিজেদের সত্যিকার অর্থেই চৌকস, মেধাবী ও ক্রিয়েটিভ ক্যাপ্টেন হিসেবে ভাবতে শুরু করবে। পড়ালেখায় চলে আসবে অ্যাডভেঞ্চারের আমেজ। তাছাড়া সময়গুলো হয়ে উঠবে উপভোগ্য। নানা ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করতে করতে বাড়বে তোমার ধৈর্য ও মনোযোগ। ডিজিটাল ডিভাইসের আসক্তি থেকে মুক্তি পাবে। পরিবারের সবার সঙ্গে এই খেলাগুলো শেয়ার করতে পারবে। ফলে কখনো নিঃসঙ্গতা হানা দিতে পারবে না তোমার মনে।
উপকরণ ও এক্সপেরিমেন্ট : এই বক্সটির দুটি অংশ। একটি মিশন ইলেক্ট্রোক্যানন অন্যটি গভীর সমুদ্রের অ্যাডভেঞ্চার। ইলেক্ট্রোম্যাগনেট থিওরি ব্যবহার করে কীভাবে আস্ত একটি কামান বানানো যায় তা দেখানো হয়েছে মিশন ইলেক্ট্রোক্যানন অংশটিতে। মজার বিষয় হচ্ছে, সাধারণ কামান গোলা ছোড়ার সময় বিশাল শব্দ করলেও ইলেক্ট্রোক্যানন গোলা ছোড়ার সময় কোনো শব্দ করে না। বক্সে দেওয়া অন্যান্য ইনস্ট্রুমেন্ট ও দিক-নির্দেশনা অনুসরণ করে তোমরা নিজে নিজেই বানিয়ে ফেলতে পারবে একটি ইলেক্ট্রোক্যানন। গভীর সমুদ্রের অ্যাডভেঞ্চার অংশটিতে দেখানো হয়েছে, পানির প্লাবতা শক্তি ব্যবহার করে কীভাবে পানিতে কোনো কিছু ভাসে বা ডুবে যায়। আরও দারুণ বিষয় হচ্ছে, এই দুটি অংশকেই দুটি মিশনের মতো করে উপস্থাপন করা হয়েছে।
