উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হেলথ কার্ড স্বাস্থ্যসেবায় যুগান্তকারী উদ্যোগ

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২০, ০২:০৭ এএম

দেশের স্বাস্থ্যসেবায় হেলথ আইডি কার্ড জনগণের জন্য একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবায় ইনডিভিজুয়াল হেলথ আইডি কার্ড প্রস্তুতকরণ দেশের মানুষের জন্য একটি মহৎ ও যুগান্তকারী উদ্যোগ। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই এরকম হেলথ আইডি কার্ডের প্রচলন রয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুরে রাজধানীর প্যান-প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে হেলথ আউটকাম পরিমাপ এবং ইনডিভিজুয়াল হেলথ আইডি কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।এর আগে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১০০টি ভেন্টিলেটর গ্রহণ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে রাষ্ট্রদূত মি. আর্ল আর মিলার ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই হেলথ আইডি কার্ডটিতে একজন মানুষের চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যসমূহ সংযুক্ত থাকবে। কম্পিউটারের সফটওয়্যারের মাধ্যমে এই তথ্যগুলো একজন চিকিৎসক দ্রুত দেখতে সক্ষম হবেন। কার্ডটি সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসা নিতে গেলে এই কার্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারের সফটওয়্যারে রোগীর আগের তথ্য দেখে চিকিৎসক সহজেই চিকিৎসা দিতে সক্ষম হবেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের আনাচে-কানাচে প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করায় দেশের প্রান্তিক মানুষ আজ নিজ এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে। করোনাতেও এই কমিউনিটি ক্লিনিক নিবিড় পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে এখন ২৮ প্রকারের জরুরি ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এত সংখ্যক কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করায় অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, দেশের প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিক সংলগ্ন এলাকার খানাভিত্তিক প্রতিটি সদস্যের তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে ইনডিভিজুয়াল হেলথ আইডি কার্ড তৈরি ও বিতরণ করা হবে। দেশের জনগণ হেলথ আইডি কার্ড ব্যবহার করে কমিউনিটি ক্লিনিকসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মুহাম্মদ খুরশিদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান, কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মুদাচ্ছের আলী, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত