মানুষ ও পশুপাখিতে অ্যান্টিবায়োটিকের অযাচিত ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সরকারের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসেস। তারা বলছেন, আর দেরি না করে এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে। ‘বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ-২০২০’ উদযাপন উপলক্ষে গতকাল সোমবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সভাটি যৌথভাবে আয়োজন করে সরকারের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফ.এ.ও), বাংলাদেশ এ.এম.আর রেসপন্স অ্যালায়েন্স (বিএআরএ) এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)।
ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসেস-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার অনিন্দ রহমান এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (প্রশিক্ষণ) ড. পল্লব কুমার দত্ত বলেন, ইতিমধ্যে অনেকগুলো অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে গেছে। রিজার্ভড অ্যান্টিবায়োটিকগুলোও সহজেই ব্যবহার করা হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে নতুন কোনো কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক উদ্ভাবন করা না গেলে সংকট ঘনীভূত হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও), বাংলাদেশ অফিসের এসেনসিয়াল ড্রাগস অ্যান্ড আদার মেডিসিন-এর টেকনিক্যাল অফিসার মোহাম্মদ রামজি ইসমাইল বলেন- পশুপাখি, মানুষ আমরা সবাই একই পরিবেশ, মাটি ও পানি ব্যবহার করছি। কাজেই একের অপরিণামদর্শী পদক্ষেপ অন্যের বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
বিপিআইসিসি সভাপতি মসিউর রহমান বলেন, আমদানি কিংবা উৎপাদনে জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন। অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত ডিম ও মাংস উৎপাদনে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এজন্য খামারে জীবনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, খামার ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে হবে।
