আজ থেকে ১৪ বছর আগে আবদুল কাদিরকে সভাপতি ও আবু হাসনাত শহীদ বাদল ওরফে ভিপি বাদলকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত হয়েছিল নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের কমিটি। আর তারও আগে ২০০৫ সালে শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া সাজনুকে সভাপতি ও আলী রেজা উজ্জ্বলকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত হয়েছিল শহর যুবলীগের কমিটি। শহর যুবলীগ ১৫ বছর আগের সেই কমিটি দিয়ে চললেও ২০১৭ সালের নভেম্বর থেকে জেলা যুবলীগের কোনো কার্যক্রম নেই। ২০০৬ সালের সেই কমিটির সভাপতি আবদুল কাদির হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আর ভিপি বাদল হয়েছেন সাধারণ সম্পাদক। দীর্ঘদিন সম্মেলন না হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে ক্ষোভ। অনেকেই হয়ে পড়েছেন নিষ্ক্রিয়।
ইতিপূর্বে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে একাধিকবার গুঞ্জন ওঠে। তবে শেষ পর্যন্ত আর কমিটি গঠন হয়নি। সংগত কারণে হতাশা ছড়ায় তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায়ের অধিকাংশ নেতাকর্মীর মাঝে। তবে সাবেক ছাত্রনেতাদের নিয়ে নতুন কমিটি গঠনের জন্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অব্যাহত প্রচারণা চালাচ্ছেন অনেকে। তাদের দাবি, ছাত্রনেতাদের কমিটিতে রাখা হলে যুবলীগ আরও শক্তিশালী ও বেগবান হবে।
২০০৩ থেকে ২০১১, ২০১১ থেকে ২০১৮ নারায়ণগঞ্জ ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করে দুটি কমিটি। তবে এই দুই কমিটির গুটি কয়েক নেতা বাদে অন্তত শতাধিক ছাত্রনেতার ঠাঁই মেলেনি যুবলীগের প্ল্যাটফর্মে। এতে হতাশ হয়ে অনেকেই নিষ্ক্রিয় হচ্ছেন। মুখ থুবড়ে পড়েছে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকা-।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ যুবলীগের সর্বশেষ কমিটি থেকে এখনো পদত্যাগ করেননি আবদুল কাদির ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল। এ বিষয়ে ভিপি বাদল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পাওয়ার পর অটো যুবলীগ থেকে অব্যাহতি হয়ে গেছে।’
তবে আবদুল কাদির বলেছেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, ‘আমি আগেও জেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলাম। এখনো যুবলীগের সভাপতি আছি। কেন্দ্রীয় যুবলীগের কমিটি গঠনের পর এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে আমি অব্যাহতি চেয়েছিলাম। কিন্তু কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কমিটি হওয়ার আগ পর্যন্ত আমাকে দায়িত্বে বহাল থাকার নির্দেশ দেন। এর পর করোনা পরিস্থিতির কারণে আর কমিটি করা হয়নি। তবে তিনি বলেন, কমিটি না হওয়ার সঠিক জবাব কেন্দ্রীয় নেতারাই দিতে পারবেন।
