বাজারে বেড়েছে শীতের সবজি কমছে না আলুর দাম

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:২৭ এএম

আলুর অস্বাভাবিক দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বেঁধে দেওয়া ও বাজারে নতুন আলুর সরবরাহের পরও নিয়ন্ত্রণে আসেনি পণ্যটির দাম। বাজারভেদে এখনো পুরনো আলু কেজিপ্রতি ৪০-৫০ টাকা এবং নতুন আলু ১৩০-১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মধ্য জানুয়ারির পর থেকে দামে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিক্রেতারা। এ ছাড়া বরবটি, গাজর, টমেটো ও কাঁচামরিচ বাদে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। হেরফের নেই চালের দামে। প্রতি কেজি মিনিকেট ৫৮-৬০ ও মাঝারি মানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২-৫৬ টাকা দরে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি শিম মিলছে ৫০-৭০ টাকা দরে। আকার ও মানভেদে প্রতিটি ফুলকপি-বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪৫ টাকা। কেজিপ্রতি শালগম ৪০-৫০, মুলা ৩০-৩৫, পেঁপে ৩০, পটোল ৫০-৬০, ঢেঁড়স ৫০-৫৫, বেগুন আকার ও মানভেদে ৫০-৮০, খিরাই ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০, চিচিঙা ও ঝিঙে ৬০, কাঁচামরিচ ৮০-১০০, টমেটো ১০০ ও গাজর ৮০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা দরে।

বাজার ও মানভেদে কালিসহ আগাম মুড়িকাটা পেঁয়াজে কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা। পুরনো দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা দরে। চায়না ও তুরস্কের পেঁয়াজের কেজি ৩৫-৪০ টাকা। প্রতি কেজি দেশি ও চায়না রসুন বাজারভেদে ১১০-১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে কিছুটা বাড়তি আদার দাম। প্রতি কেজি চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ টাকা দরে।

বাজারে মাছের দাম কিছুটা কম। আকারভেদে প্রতি কেজি ছোট আকারের রুই, কাতল ও মৃগেল ১৮০-২৩০ টাকা ও বড় আকারের রুই, কাতল ও মৃগেল ৩০০-৫০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি বাগদা, গলদা ও দেশি টেংরা বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকা। পাবদার কেজি ৪০০, তেলাপিয়া ১৪০-১৬০, হাইব্রিড কই ১৮০-২০০ ও পাঙাশ ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

চট্টগ্রামেও কমেছে সবজির দাম : আমাদের চট্টগ্রাম ব্যুরো জানিয়েছে, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে বেড়েছে শীতকালীন সবজি। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা দরে। কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে গাজর বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। প্রতি কেজি আলু কোথাও ৪৫, কোনো বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকা দরে। করলা কেজিতে ৩০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে। কেজিপ্রতি ঢেঁড়স ৪৫ ও পটোল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে ১০-২০ টাকা কমে ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। বাঁধাকপির কেজি ৩০ টাকা। এ ছাড়া প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয়েছে ৫০-৬০ টাকায়। মিষ্টিকুমড়ো ও ঝিঙার কেজি ৪০ টাকা।

রেয়াজউদ্দিন বাজারের খুচরা বিক্রেতা ইমতিয়াজ বলেন, শীতের সবজির দাম কেজিতে ৩০-৪০ টাকা কমেছে। তবে আলুর দাম পাইকারিতেই বেশি। হিমাগার থেকে আলু কম আসছে। রেয়াজউদ্দিন বাজারের সব পাইকার এখন আলু বিক্রি করেন না, তাই আলুর দাম বেশি। এ ছাড়া গাজর-বরবটির সরবরাহ কমায় দাম বাড়ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত