চার মাসে আগে আত্মহত্যা করেছিলেন নেটফ্লিক্স ডকুমেন্টারি ডেইজি কোলম্যান। এবার তার মাও একই পথ বেছে নিলেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানায়, রবিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরিতে আত্মহত্যা করেন ডেইজির মা মেলিন্ডা কোলম্যান।
২০১৬ সালে রিলিজ পাওয়া ‘আড্রি অ্যান্ড ডেইজি’ নামে নেটফ্লিক্সের একটি ডকুমেন্টারির মাধ্যমে আলোচনায় আসেন ২৩ বছর বয়সী ডেইজি।
১৪ বছর বয়সে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন তিনি। সেই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা উঠে আসে ডকুমেন্টারিটিতে।
কলোরাডো স্প্রিংস শহরে একটি ঘরোয়া পার্টিতে জনপ্রিয় এক হাইস্কুল ফুটবলার ধর্ষণ করে ডেইজিকে। আর সেই দৃশ্য ভিডিওধারণও করা হয়।
কখনো গর্ভধারণ করতে পারবেন না জেনে চলতি বছরের আগস্টের প্রথম সপ্তাহে আত্মহত্যা করেন এ তরুণী।
তার মৃত্যুর কারণ জানিয়েছিলেন মা মেলিন্ডা। ধর্ষণ ও নিপীড়নের কারণে সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারিয়েছেন ডেইজি। বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারেননি।
ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর তিনি সেইফবে নামে একটি অলাভজনক সংস্থা গঠন করেন। স্কুল শিক্ষার্থীদের ধর্ষণ রোধে কাজ করে এটি।
সেইফবে নিজস্ব টুইটার অ্যাকাউন্টে ডেইজির মা মেলিন্ডার আত্মহত্যার খবর জানায়।
ট্র্যাজেডি নিয়েই যেন পৃথিবীতে জন্মেছিল কোলম্যান পরিবারের সদস্যরা। এ নিয়ে চারজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটল।
২০০৯ সালে এক গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান ডেইজির বাবা। একটি রেসলিং প্রতিযোগিতা দেখতে যাচ্ছিলেন তারা, যাতে অংশ নিয়েছিলেন ডেইজির ভাইও।
একইভাবে ১৯ বছর বয়সে আরেক গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান ভাই ট্রিস্টান কোলম্যান। ধর্ষণের শিকার হওয়া বোনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।
