বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর

৯৩৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে ম্যাকসনস গ্রুপ

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:৩৫ এএম

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে ১১১ মিলিয়ন ডলার বা ৯৩৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে টেক্সটাইল খাতের প্রতিষ্ঠান ম্যাকসনস গ্রুপ। ৩০ একর জমিতে মেট্রো স্পিনিং মিলস, ম্যাকসনস স্পিনিং মিলস ও ম্যাকসনস স্পিনিং মিলস ইউনিট-২ এই তিনটি কারখানা চালু হলে প্রায় ৪ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। গতকাল সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও ম্যাকসনস গ্রুপের মধ্যে জমি ইজারা সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছে।

এ সময় বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, গত ৩ বছরে সাড়ে ৮ হাজার একর জমি ইজারা দেওয়া হয়েছে। এতে কোনো ঘুষ দেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি। অনলাইনে ৩২ সেবা চালু থাকলেও অচিরেই তা ৪০টিতে উন্নীত হবে। ৫০০ একরের গার্মেন্টস ভিলেজ স্থাপনে সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। টেক্সটাইল মিল স্থাপনের মাধ্যমে সেখানে ইন্ডাস্ট্রিয়াল সাইনার্জি করা হবে। বর্তমানে বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হচ্ছে। জাপানি কোম্পানি সুমিতোমো নারায়ণগঞ্জে ১ হাজার ৮০০ একর জমি ইজারা নিয়েছে। আমরা কক্সবাজারে ২৪ হাজার একর জমিতে ট্যুরিজম পার্ক করার পরিকল্পনা নিয়েছি।

বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে বিশ্বের বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরতদের সহায়তা প্রয়োজন, মন্তব্য পবন চৌধুরীর। বলেন, অন্য দেশগুলোয় যারা কূটনীতিক হিসেবে কাজ করছেন, তাদের প্রধান কাজ নিজ দেশকে তুলে ধরা। কীভাবে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, তা নিয়ে কাজ করা। আমাদের দেশ থেকে যারা বিভিন্ন মিশন বা দূতাবাসে দায়িত্বরত আছেন, তাদেরও বিদেশি বিনিয়োগ আনতে কাজ করতে হবে। দেশকে প্রমোট করতে হবে। আমরা ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ করছি। তিনটির কাজ শেষ হয়েছে। এগুলো তাদের জানাতে হবে।

ম্যাকসনস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, আমরা টেক্সটাইল খাতে ৩৫ বছর কাজ করছি। রপ্তানি খাতে ট্রফি অর্জন করেছি। বর্তমানে আমাদের রপ্তানি আয় ৭ কোটি ডলার। আমাদের লক্ষ্য এটাকে ১০ কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়া। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার আসে পোশাক খাত থেকে। এর মধ্যে বস্ত্র খাতের অবদান ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। ডেনিমে আমরা ৭০ শতাংশ নিজেরা জোগান দেই। কিন্তু উইভিংয়ে ৪০ শতাংশ। মোট ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ গ্যাপ ৬০ শতাংশ। প্রতি বছর ৬০০-৭০০ কোটি ডলারের কাপড় আমাদের আমদানি করতে হয়। আমাদের মনে রাখতে হবে, লিড টাইম কমে যাচ্ছে। তাই আমদানি করে কাপড় এনে সময় নষ্ট করা যাবে না। দেশে রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদন হয় না। এসব পণ্য আমদানি আরও সহজ করতে হবে। জমি হস্তান্তরের দুই-আড়াই বছরের মধ্যে সব ইউনিট চালু করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত