নারীদের হিস্টিরিয়া

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৩১ এএম

নারী-পুরুষ উভয়েরই হিস্টিরিয়া হতে পারে। তবে ১৪ থেকে ২০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে হরমোনাল ইমব্যালেন্স ও পিরিয়ডিক্যাল কারণে হিস্টিরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আধিক্য দেখা যায়। হিস্টিরিয়া এমন একটি মানসিক অবস্থা যেখানে ব্যক্তির মধ্যে দুর্দমনীয় ভয় ও অতিরিক্ত আবেগ লক্ষ করা যায়। যাদের হিস্টিরিয়া রয়েছে তারা সাধারণত কোনো না কোনো ফোবিয়ায় আক্রান্ত, অনিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন ও মানসিক অবসাদগ্রস্ত থাকেন।

হিস্টিরিয়ায় আক্রান্ত হলে নিজের কাজ ও আচরণের ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না বা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তাদের মধ্যে সচেতনতা লোপ পায় ও মানসিক ক্ষোভ কাজ করে। ব্যক্তির নিজের মধ্যে অবদমিত দ্বন্দ্ব তার আচরণে প্রভাব ফেলে। যদিও হিস্টিরিয়ার মূল কারণ অ্যাংজাইটি, কিন্তু আরও অনেক কারণে হিস্টিরিয়া হতে পারে।

কেন হয়

  স্ট্রেস   যৌন নিপীড়ন   অলসতা

 পরিবারের কারও রোগ থাকলে   নার্ভাসনেস

  ভয়    দুশ্চিন্তা   ডিপ্রেশন   হস্তমৈথুন   দীর্ঘকালীন অসুস্থতা

লক্ষণ

  অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ভারী লাগা

   শরীর আড়ষ্ট হয়ে যাওয়া ও

      মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া

    দাঁত লেগে যাওয়া

   পেটের সংকোচন ও শক্ত

      অনুভূতি

   ক্রমাগত দীর্ঘশ্বাস ও নিঃশ্বাস

      নিতে অসুবিধা

  ঘাড়ের অংশ ফুলে যাওয়া

  বুক ধড়ফড় করা

  মাথাব্যথা ও দুর্বলতা

  চেতনাহ্রাস

  সহিংস মনোভাব ও

     অস্থিতিশীল হৃৎস্পন্দন

প্রতিকার

যাদের হিস্টিরিয়া রয়েছে তাদের প্রতিদিনকার খাবারের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তিনবেলা খাবারেই আপেল, আঙুর, কমলা, আনারস, পেঁপে ইত্যাদি ফল রাখুন। প্রচুর পরিমাণে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খান। একমাস সকালে খালি পেটে এক কাপ লেটুসপাতার রস ও এক চা চামচ আমলকীর রস খান। যাদের হিস্টিরিয়া রয়েছে তারা প্রতিদিন এক টেবিল চামচ করে মধু খান। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম হিস্টিরিয়া সারিয়ে তুলতে সহায়ক। এর পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে দীর্ঘমেযাদি ওষুধ ও কাউন্সেলিং করাতে হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত