নারী-পুরুষ উভয়েরই হিস্টিরিয়া হতে পারে। তবে ১৪ থেকে ২০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে হরমোনাল ইমব্যালেন্স ও পিরিয়ডিক্যাল কারণে হিস্টিরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আধিক্য দেখা যায়। হিস্টিরিয়া এমন একটি মানসিক অবস্থা যেখানে ব্যক্তির মধ্যে দুর্দমনীয় ভয় ও অতিরিক্ত আবেগ লক্ষ করা যায়। যাদের হিস্টিরিয়া রয়েছে তারা সাধারণত কোনো না কোনো ফোবিয়ায় আক্রান্ত, অনিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন ও মানসিক অবসাদগ্রস্ত থাকেন।
হিস্টিরিয়ায় আক্রান্ত হলে নিজের কাজ ও আচরণের ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না বা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তাদের মধ্যে সচেতনতা লোপ পায় ও মানসিক ক্ষোভ কাজ করে। ব্যক্তির নিজের মধ্যে অবদমিত দ্বন্দ্ব তার আচরণে প্রভাব ফেলে। যদিও হিস্টিরিয়ার মূল কারণ অ্যাংজাইটি, কিন্তু আরও অনেক কারণে হিস্টিরিয়া হতে পারে।
কেন হয়
স্ট্রেস যৌন নিপীড়ন অলসতা
পরিবারের কারও রোগ থাকলে নার্ভাসনেস
ভয় দুশ্চিন্তা ডিপ্রেশন হস্তমৈথুন দীর্ঘকালীন অসুস্থতা
লক্ষণ
অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ভারী লাগা
শরীর আড়ষ্ট হয়ে যাওয়া ও
মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া
দাঁত লেগে যাওয়া
পেটের সংকোচন ও শক্ত
অনুভূতি
ক্রমাগত দীর্ঘশ্বাস ও নিঃশ্বাস
নিতে অসুবিধা
ঘাড়ের অংশ ফুলে যাওয়া
বুক ধড়ফড় করা
মাথাব্যথা ও দুর্বলতা
চেতনাহ্রাস
সহিংস মনোভাব ও
অস্থিতিশীল হৃৎস্পন্দন
প্রতিকার
যাদের হিস্টিরিয়া রয়েছে তাদের প্রতিদিনকার খাবারের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তিনবেলা খাবারেই আপেল, আঙুর, কমলা, আনারস, পেঁপে ইত্যাদি ফল রাখুন। প্রচুর পরিমাণে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খান। একমাস সকালে খালি পেটে এক কাপ লেটুসপাতার রস ও এক চা চামচ আমলকীর রস খান। যাদের হিস্টিরিয়া রয়েছে তারা প্রতিদিন এক টেবিল চামচ করে মধু খান। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম হিস্টিরিয়া সারিয়ে তুলতে সহায়ক। এর পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে দীর্ঘমেযাদি ওষুধ ও কাউন্সেলিং করাতে হবে।
