ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফে বরিশাল

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০৫ এএম

কী কাকতালীয়! ২৪ নভেম্বর বেক্সিমকো ঢাকাকে ২ রানে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু কাপ শুরু করেছিল মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। তারা শেষ পর্যন্ত পারল না প্লে-অফে জায়গা করে দিতে। সেই ঢাকাকে গতকাল রাউন্ড রবিন পর্বের শেষ ম্যাচে ২ রানে হারিয়ে শেষ দল হিসেবে প্লে-অফে জায়গা করে নিয়েছে তামিম ইকবালের ফরচুন বরিশাল। আগামীকাল এলিমিনেটরে ঢাকার সঙ্গেই খেলা তাদের। একই দিন চট্টগ্রাম-খুলনা লড়বে ফাইনালে ওঠার প্রথম কোয়ালিফায়ারে।

আগেই চট্টগ্রাম-খুলনা-ঢাকার প্লে-অফ নিশ্চিত হওয়ায় চতুর্থ দল হিসেবে রাজশাহী না বরিশাল ওঠে গতকাল ছিল তাই দেখার। কিন্তু গতকাল দিনের প্রথম ম্যাচে বাজে বোলিং-ব্যাটিংয়ের খেসারত দেয় রাজশাহী। লিটন দাস-সৌম্য সরকারের ১২২ রানের উদ্বোধনী জুটির পরও চট্টগ্রামকে বিশাল স্কোর গড়ার পথ আটকেই দিয়েছিল রাজশাহী। কিন্তু শেষ দুই ওভারে বাজে বোলিংয়ে ৩৭ রান দিয়ে দেয় তারা। চট্টগ্রামের দারুণ পেস আর স্পিনে ১৭৬ রানের টার্গেটের পথে হাঁটতে পারেনি রাজশাহী। টপ অর্ডার ব্যর্থ হওয়ায় মিডল অর্ডারের কেউই হাল ধরতে পারেননি তাদের। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৩৯ রানে থামতে হয়। শরিফুলের সঙ্গে বোলিং ওপেন করা অফস্পিনার নাহিদুল ইসলাম মাত্র ১৮ রান দিয়ে হন ম্যাচসেরা।

এই ম্যাচের রেজাল্ট জেনে বিকেল সাড়ে ৫টায় খেলতে নামা বরিশাল বড় স্কোর গড়ার মনোযোগী হতে পেরেছে। জিতলে ১০ পয়েন্ট নিয়ে চট্টগ্রামের সঙ্গে প্রথম কোয়ালিফায়ার খেলতে পারত ঢাকা। তবুও আগের ম্যাচগুলোর মতো টস জিতে প্রতিপক্ষকে ব্যাটিংয়ে পাঠান মুশফিক রহিম। প্রথমে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাওয়া বরিশাল ৫৯ রানের ভিত পায় সাইফ-তামিমে। তামিম ১৯ রানে আউট হলেও ইমনকে নিয়ে ৮২, আর আফিফকে সঙ্গী করে ১০২ পর্যন্ত নিয়ে যান স্কোর সাইফ। ৪৩ বলে ৫০ রান করে আউট হন তিনি ১৪তম ওভারে। বাকি ওভারে ৯১ রান তুলেছে বরিশাল আফিফ আর তৌহিদ হৃদয়ের দারুণ ব্যাটিংয়ে। ২৫ বলে আফিফ করেন ৫০। আর ২২ বলে তৌহিদ ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৯টি ছক্কা মেরেছেন দুজনে।

পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে আগের ম্যাচে ফিফটি করা সাব্বিরকে নিয়ে ৫২ রান এনে দিয়েছিলেন নাঈম শেখ। কিন্তু ১০ রানের মধ্যে সাব্বির, মুশফিক, আল-আমিনকে হারান তিনি। এরপরও দমেননি নাঈম। ইয়াসির আলিকে নিয়ে প্রায় ১০ ওভারে ১১০ রানের জুটি গড়ে জয়ের পথেই হাঁটছিলেন তিনি। কিন্তু দরকারি সময়ে আউট হয়ে যান তিনি ৬৪ বলে ১০৫ রান করে (৮ বাউন্ডারি, ৭ ছক্কা)। শেষ ওভারে ১৭ রান দরকার পড়ে ঢাকার। মুক্তার আলি ১ ছক্কায় ৩ বলে ৮ রান নেওয়ার পর আউট হওয়ায় আর পারেনি। শেষ ৩ বলে ৯ রান দরকার ছিল। কিন্তু কামরুলের শেষ বলে শুধু ছক্কা হাঁকাতে পেরেছেন আকবর আলি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত