ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কার বেস্টের জন্য সেরা তিনজনের মধ্যে আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, রবার্ট লেভানডোস্কি ও লিওনেল মেসি। বিশ্বব্যাপী জাতীয় দলের কোচ ও অধিনায়ক, সাংবাদিক ও ভক্তদের চার পর্যায়ের ভোটে এই তিন ফাইনালিস্ট চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগের পর্বে এদের সঙ্গে ছিলেন বায়ার্নের থিয়াগো, ম্যানসিটির কেভিন ডি ব্রুইন, লিভারপুলের সাদিও মানে, মোহামেদ সালাহ ও ভার্জিন ফন ডাইক, পিএসজির কিলিয়ান এমবাপে ও নেইমার এবং রিয়াল মাদ্রিদের সার্জিও রামোস।
পরশু রাতে ফিফা থেকে সেরা তিনের নাম ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই টুইটারে ইঙ্গিতবাহী তিনটি টুইট করেন নেইমার। প্রথম টুইটে তিনি লিখেন, ‘টেনিসে কিছু করতে পারলাম না, তাই বাস্কেটবল খেলতে চলে যাচ্ছি।’ ৬ মিনিট পর আরেকটা পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমি এর মধ্যেই বাস্কেটবল খেলা ছেড়ে দিয়েছি, আমি এখন গেমার।’ নেটিজেনদের ধারণা, নেইমারের ইঙ্গিতটা এই যে, তিনি ফুটবল খেলেন না। ফুটবল খেললে তাকে ঠিকই এমন মৌসুমের পর ফিফার বর্ষসেরার তালিকার সেরা তিনে রাখা হতো। নেইমারের বাবা ছেলেকে উদ্দেশ্য করে ইন্সটাগ্রামে লিখে দেন মনের কথা, ‘আমাদের কাছে তুমি সব সময় সেরা লিগে খেলার মতো, সেরা ক্লাবের হয়ে খেলার মতো, সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলার মতো যোগ্যতাসম্পন্ন খেলোয়াড় হয়েই থাকবে।’
ফরাসি লিগে গত মৌসুমে ১৫ ম্যাচে ১৩ গোল করেছেন নেইমার, এবার ৬ ম্যাচে ৩ গোল। চ্যাম্পিয়নস লিগে গত মৌসুমে নেইমারের গোল ছিল ৭ ম্যাচে ৩টি, এবার ৫ ম্যাচে ৬টি! হয়তো গত মৌসুমে ফরাসি লিগ পুরোপুরি শেষ না হওয়াই নেইমারের কপাল পুড়িয়েছে। ফিফার বর্ষসেরার পুরস্কার দেওয়া হবে ১৭ ডিসেম্বর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে।
সেই রাতেই ঘোষণা করা হবে ‘ফিফা ফিফপ্রো মেনস ওয়ার্ড ১১’। এই ১১ খেলোয়াড় নির্বাচিত করার আগে সমর্থকদের ভোটের ভিত্তিতে মোট ৫৫ জন খেলোয়াড় থাকে তালিকায়। বিশ্বব্যাপী খেলা পেশাদার খেলোয়াড়রা ভোটের মাধ্যমে বেছে নেবেন সেরা একাদশ। এবার এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি পেন্টাজয়ী ১১ জন। এদের তিনজন প্রথম এলেন ৫৫ জনের তালিকায়- আলফন্সো ডেভিস, সার্জ নাবরি ও লেওন গোরেৎজকা। ৫৫ জনের ১০ জন গোলকিপার, ১৫ জন ডিফেন্ডার, ১৫ জন মিডফিল্ডার, ১৫ জন ফরোয়ার্ডের নাম আছে। ফিফা বেস্টের সেরা তিনজনে না থাকলেও ১৫ ফরোয়ার্ডের মধ্যে নাম আছে নেইমার ও এমবাপের। ২০০৫ সাল থেকে দেওয়া হয় ফিফার বর্ষসেরা একাদশ। একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিবারই এই তালিকায় নাম ছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর।
