রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শনে এসে অভিনেতা অনন্ত জলিল

শতাধিক দেশ ভ্রমণ করেছি কিন্তু এমন প্রকল্প দেখিনি

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:৫৬ এএম

শতাধিক দেশ ভ্রমণ করেছি কিন্তু রূপায়ণ সিটি উত্তরার মতো প্রকল্প দেখিনি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলা চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও অভিনেতা অনন্ত জলিল। গত শুক্রবার রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শনে এসে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনন্ত জলিল এবং তার সহধর্মিণী ও অভিনেত্রী আফিয়া নুসরাত বর্ষা রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শনে এলে তাদের শুভেচ্ছা জানান রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল এবং রূপায়ণ গ্রুপের শেয়ার হোল্ডার ডিরেক্টর রোকেয়া বেগম নাসিমা।

রূপায়ণ সিটি উত্তরার মেইন এভিনিউ, পায়রা চত্বর, স্কাই ভিলা, রেইন ফরেস্ট, সান ডেক, রিডিং লাউঞ্জ, মুভি থিয়েটার, জিমনেসিয়াম, সুইমিংপুল সাইড, কমিউনিটি হল, কমিউনিটি ক্লাব, জগিং ট্র্যাকসহ পুরো প্রকল্প তাদের ঘুরিয়ে দেখান রূপায়ণ সিটি উত্তরার ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাহবুবুর রহমান ।

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী আফিয়া নুসরাত বর্ষা বলেন, এখানে এসেই মনে হয়েছে বিনা ফ্লাইটে আমরা দেশের বাইরে চলে এসেছি। আমার কাছে মনে হচ্ছে এটা শিশুদের জন্য বাসযোগ্য পরিকল্পিত সিটি। এটা বাংলাদেশের গর্ব।

চলচ্চিত্র অভিনেতা অনন্ত জলিল বলেন, কমার্শিয়াল চিন্তা-চেতনার বাইরে গিয়ে বিশাল জায়গা ফাঁকা রেখে গড়ে উঠছে এই প্রকল্প। আমার কাছে মনে হয়েছে এটা একটা ড্রিম প্রজেক্ট। যেখানে মানুষ বাস করে গর্ব করতে পারবে। এটা বাংলাদেশের জন্য ইতিহাস হবে। এখন আমরা গর্ব করে বলতে পারব, আমাদের দেশেও এ রকম প্রকল্প তৈরি করা সম্ভব। বিশ্বের শতাধিক দেশ ভ্রমণ করেছি, কিন্তু এই রকম সুযোগ-সুবিধা নিয়ে প্রকল্প আমি দেখিনি।

অনন্ত জলিল তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের বলেন, আপনারা যখনই দেশে আসবেন রূপায়ণ সিটি উত্তরাতে আসবেন। আপনাদের ভালো লাগবে। এটা নিরাপদ বিনিয়োগের সর্বোচ্চ জায়গা।

১৩৪ বিঘা জমির ওপর নির্মিত প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটির এই প্রকল্পে রয়েছে প্রিমিয়াম মানের কন্ডো অ্যাপার্টমেন্ট, স্কাই ভিলা, পেন্থহাউজ, কমিউনিটি ক্লাব, মসজিদ, খেলার মাঠ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ আধুনিক নগর জীবনের সব আয়োজন। ৬৩ শতাংশ খোলামেলা জায়গার পাশাপাশি রয়েছে সাড়ে ছয় কিলোমিটারের জগিং ট্র্যাক ও গাড়ি চলাচলের পৃথক রাস্তা। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত