বেসামরিক বিমান চলাচল কর্র্তৃপক্ষের (বেবিচক) আদেশ অমান্য করে ২৫৪ জনের ফ্লাইটে একজন করোনা রোগীকে আনায় দুই লাখ টাকা জরিমানা গুনেছে ইতিহাদ এয়ারওয়েজ।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাদের এই জরিমানা করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট আলী আফরোজ।
ম্যাজিস্ট্রেট আলী আফরোজ বলেন, ‘দায়িত্বহীন আচরণের জন্য এয়ারওয়েজের পাশাপাশি যাত্রীকেও শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কভিড আক্রান্ত ওই যাত্রীকে চিকিৎসার জন্য কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’ তবে ফ্লাইটের বাকি ২৫৩ যাত্রী যে যার মতো বাড়ি চলে গেছেন।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ২৫৪ যাত্রী নিয়ে ইতিহাদ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট ঢাকা এসে পৌঁছে। যাত্রীদের মধ্যে একজন কভিড পজিটিভ ছিলেন। যাত্রীর সঙ্গে আনা আরটি-পিসিআর পরীক্ষার সনদেই পরিষ্কারভাবে তাকে কভিড পজিটিভ হিসেবে চিহ্নিত করা ছিল। আবুধাবি এয়ারপোর্টে ইতিহাদ কর্র্তৃপক্ষ যাত্রীর রিপোর্ট খেয়াল না করেই ফ্লাইটে তুলে দেয়। বাংলাদেশের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তার রিপোর্ট শনাক্ত করে তাকে আটকে ফেলে।
তিনি আরও জানান, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ তাদের ভুল স্বীকার করায় তাদের দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও করোনায় আক্রান্তের তথ্য গোপন করায় ওই যাত্রীর কাছ থেকে জরিমানার তিন হাজার টাকা আদায় করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার মধ্যরাতে কভিড সনদ ছাড়া ৫১৬ যাত্রী আনায় সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইনসকে (সাউদিয়া) দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে ৩০ হাজার টাকা, মালদিভিয়ান এয়ারলাইনসকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়াও কভিড-১৯ আক্রান্ত এক রোগীকে বহন করে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে আনায় এয়ার এশিয়াকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট।
