একাত্তরে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন কনস্যুলার জেনারেল ২ মার্চই স্টেট ডিপার্টমেন্টকে টেলিগ্রাম করে জানিয়ে দেন পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে সমঝোতার আর সুযোগ নেই। ১৫ মার্চ স্টেট ডিপার্টমেন্টের চিঠিতে কিসিঞ্জার জেনে যান ‘মুজিব পূর্ব পাকিস্তানের ক্ষমতা নিয়ে নিয়েছেন’; ৩ জুন কিসিঞ্জার নিজেই বলেছেন পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হচ্ছে। ‘লাশের পাহাড়ের নিচে পাকিস্তান সমাহিত’এই নিউজ ক্লিপিংও স্টেট ডিপার্টমেন্টে আছে, প্রেসিডেন্ট নিক্সনও তা জানেন। ১৬ ডিসেম্বর অপরাহ্ণের পর ঢাকার ধুলো চুম্বন করে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের পর পরিস্থিতি পাল্টে যাবে, পাকিস্তান তাও ভাবেনি। বরং আমেরিকা এবং চীনের ‘ডিসেম্বর ব্লাফ’ তাদের ক্ষতের জ্বালা বাড়িয়ে চলেছে। উপমহাদেশের সব বাস্তবতা স্টেট ডিপার্টমেন্ট ভালোভাবে জানলেও বাংলাদেশ নামটি উচ্চারণ করতে চাচ্ছে না।
জাতিসংঘে নাটকীয় কিছু কান্ড করার পর পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রধান জুলফিকার আলী ভুট্টো তখনো যুক্তরাষ্ট্রে। প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান তাকে উপ-প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেছেন। ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭১ তার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ ধার্য আছে। এই সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতির জন্য দুটি ব্রিফিং পৌঁছাল। ফারল্যান্ডের টেলিগ্রামেই ‘বাংলাদেশ’ কথাটি প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক নথিতে উঠে এলো।
***
থিওডোর এলিয়ট জুনিয়র (টেড এলিয়ট নামে বহুল পরিচিত) একাত্তরে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি ছিলেন। নিউ ইয়র্কে অবস্থানরত জুলফিকার আলী ভুট্টো হেনরি কিসিঞ্জারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, আবারও করবেন। ১৮ ডিসেম্বর ১৯৭১ টেড এলিয়ট এই সাক্ষাৎকারের জন্য একটি ব্রিফিং হেনরি কিসিঞ্জারকে পাঠান। দুদিন আগেই ১৬ ডিসেম্বর অপরাহ্ণে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছে। কিন্তু এই স্মারকে ‘বাংলাদেশ’ ব্যবহার করা হয়নি, তখনো বলেছে ‘ইস্ট পাকিস্তান’।
ভুট্টো প্রেসিডেন্ট নিক্সনেরও সাক্ষাৎপ্রার্থী ছিলেন। প্রেসিডেন্টের জন্য স্টেট ডিপার্টমেন্টে প্রেরিত টেলিগ্রামে একই দিনে ১৮ ডিসেম্বর ইসলামাবাদে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত জোসেফ ফারল্যান্ড, ‘বাংলাদেশ’ ব্যবহার করেছেন।
থিওডোর এলিয়ট জুনিয়র (১৯২৮-২০১৯) ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮ পর্যন্ত আফগানিস্তানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তিনি ফ্লেচার স্কুল অব ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোমেসির ডিনও ছিলেন। তার গোপনীয় চিঠিটি অনূদিত হলো। উল্লেখ্য, হেনরি কিসিঞ্জার তখনকার প্রেসিডেন্ট নিক্সনের অ্যাসিস্ট্যান্ট টু ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার।
[বিষয় : জুলফিকার আলী ভুট্টোর সঙ্গে আপনার (কিসিঞ্জার) সাক্ষাৎ]
ইয়াহিয়া কদিনের মধ্যে যে সংবিধান ঘোষণা করতে যাচ্ছেন, তার অধীনে ভুট্টোকে বেসামরিক সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হবেন একজন সম্মানিত, তবে অনেক বয়স্ক বাঙালি, নুরুল আমিন। রাজনৈতিকভাবে তিনি ভুট্টোর সমকক্ষ নন। মনে করা হচ্ছে, ইয়াহিয়া প্রেসিডেন্ট হিসেবে থেকে যাবেন, কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাবলির কারণে এ পরিকল্পনা কীভাবে পরিবর্তিত হতে পারে আমরা নিশ্চিত নই, সেনাবাহিনীতে ইয়াহিয়ার নিজের গুরুত্ব কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাও আমাদের জানা নেই।
ভুট্টোর হাতে এখন সংসদের সর্বাধিক আসন (বন্দি আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান বাদে) ২৭ ডিসেম্বর যে অধিবেশন ডাকা হয়েছে, তাতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা তারই থাকবে। ভুট্টো আগে একবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, তিনি তরুণ, যোগ্য এবং পরিশীলিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। নিরাপত্তা পরিষদে ওয়াক আউটের মধ্য দিয়ে তা যথার্থ প্রদর্শন করেছেনদেশে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে এটি সযত্নে অভিনীত হয়েছে। পাকিস্তানের সামরিক পরাজয়ের দায় কী, সে সম্পর্কে তিনি ভালোভাবেই অবহিত আছেন এবং দায় এড়াতে তিনি সতর্ক অবস্থানে থাকতে সচেষ্ট থাকবেন। ভুট্টো এবং পাকিস্তানের সামরিক প্রশাসনের সঙ্গে যে অসম সম্পর্ক, সেনাবাহিনীর পরাজয় তা আরও বৃদ্ধি করবে। তবু পরবর্তী সংক্ষিপ্ত একটি পর্ব পর্যন্ত ভুট্টো এবং সামরিক বাহিনী পরস্পরকে সহযোগিতা করবে পাকিস্তানের সংহতি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে তার দেশের সেনাবাহিনীর গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি সচেতন, একই সঙ্গে রাজনীতির অঙ্গনে ভুট্টোর যে অবস্থান, সে সম্পর্কে সেনাবাহিনীও অবহিত।
ভারতের প্রশ্নে ভুট্টো চরমবিরোধী। পূর্ব পাকিস্তানে যা ঘটেছে তাতে তার বৈরীভাব আরও বেড়ে যাবে। আর এ কারণে পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিতেও ভুট্টোর মধ্যে প্রতিশোধপরায়ণতা কাজ করতে পারে, যা উপমহাদেশের স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক খারাপ কিছু হতো; অন্যদিকে পাকিস্তানের সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে সমঝোতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। আমরা বিশ্বাস করি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার আলোচনা এদিক দিয়ে অর্থবহ করা সম্ভব হবে; একই সঙ্গে তাকে এই আশ্বাসও দেওয়া হবে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া এবং তার জন্য আমাদের সমর্থন এবং পশ্চিম পাকিস্তানের সংহতি রক্ষায় ও উন্নয়নে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
অতীতে ভুট্টো যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তবে ১৯৭০-এ তার নির্বাচনী সাফল্যের পর থেকে ভুট্টো জোর দিয়ে বলে আসছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মধ্যে আন্তরিক সম্পর্ক থাকা উচিত এবং তা হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। পশ্চিম পাকিস্তানে গণমাধ্যম ও জনমত কঠোরভাবে যুক্তরাষ্ট্রপন্থি, কিন্তু পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পরাজয় ও রাজনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে তা বদলে নিয়ে তিক্ততা বৃদ্ধি পেতে পারে।
থিওডোর আই এলিয়ট জুনিয়র
নির্বাহী সচিব
দুই. একই দিন ১৮ ডিসেম্বর ইসলামাবাদ দূতাবাস থেকে ওয়াশিংটনে স্টেট ডিপার্টমেন্টে পাঠানো টেলিগ্রামটি উপস্থাপন করা হচ্ছে। এটি পাঠিয়েছেন রাষ্ট্রদূত জোসেফ ফারল্যান্ড। তিনি ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ পর্যন্ত ইসলামাবাদে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন।
জোসেফ সিম্পসন ফারল্যান্ডের জন্ম ১৯১৪-তে পশ্চিম ভার্জিনিয়াতে, ২৮ জানুয়ারি ২০০৭ তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন এবং নৌবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ১৯৫৭ সাল ডোমিনিকান রিপাবলিক এবং ১৯৬০ সালে পানামাতে রাষ্ট্রদূত ছিলেন। পাকিস্তানে কর্মরত থাকাকালীন তার বড় সাফল্য চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্থাপনে কূটনৈতিক ভূমিকা পালন। পাকিস্তানের পর ইরানেও রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তারপর তাকে নিউজিল্যান্ডে বদলির প্রস্তাব দেওয়া হয়। তিনি চাকরি থেকে সরে গিয়ে আইন ব্যবসা শুরু করেন। ফারল্যান্ডের টেলিগ্রামটি সেক্রেটারি অব স্টেটকে পাঠানো।
[বিষয় : প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভুট্টোর বৈঠক]
১. প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ১৮ ডিসেম্বর ভুট্টোর বৈঠকের প্রস্তুতিতে স্টেট ডিপার্টমেন্ট এটা বিবেচনায় নিতে পারে যে, গত এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে আমার সঙ্গে বা ডেপুটি চিফ অব মিশনের সঙ্গে কথা বলার সময় ভুট্টো বারবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের উন্নয়ন ও শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়েছেন। আমি তাকে বলেছি, যুগপৎ আমাদের সরকারেরও একই প্রত্যাশা। আমরা আশা করছি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে ভুট্টো এই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করবেন।
২. আলোচনার সময় তিনি তার সংবেদনশীলতা প্রদর্শন করে বলেছেন, তিনি মনে করেন আগের প্রশাসনে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কর্মকর্তারা তাকে মর্যাদার চোখে দেখেননি। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি উন্নত ব্যক্তিগত সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হবেন। (ভুট্টোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বন্ধুসুলভ)। এ প্রসঙ্গে আমরা জানি, পিপিপির বামঘেঁষা কিছু রাজনীতিবিদ যুক্তরাষ্ট্রকে দোষারোপ করছেন যে, সপ্তম নৌবহর নামিয়ে দিয়ে সাম্প্রতিক দ্বন্দ্বে চীনের হস্তক্ষেপ বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। অতীতে আমরা ভুট্টোকে বলেছি, তার দলের লোকজনের অযৌক্তিক মার্কিনবিরোধী প্রচারণায় আমাদের সম্পর্কের ওপর দুর্ভাগ্যজনক প্রভাব পড়তে পারে।
৩. স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিবেচনার জন্য নিচে কিছু বিষয়ের অবতারণা করা হলো :
(ক) পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক : আমরা বিশ্বাস করি উপমহাদেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতি ভুট্টো প্রায়োগিক দৃষ্টিতে দেখতে চেষ্টা করবেন। বাস্তবতা হচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে। এখন পাকিস্তানের স্বার্থে (বরং পশ্চিম পাকিস্তানের স্বার্থেই) পূর্বাংশের মানুষের সম্পর্কের যতটুকুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়, তারা যেন তা করেন। প্রেসিডেন্ট ভুট্টোর কাছে জানতে চাইতে পারেন ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে তিনি কী ভাবছেন।
(খ) পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ববাংলার মধ্যে বৈরিতা কারও কোনো স্বার্থ উদ্ধার করতে পারবে না, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র উভয় অঞ্চলের জনগণের সঙ্গে ফলদায়ক সম্পর্ক রক্ষা করবে এবং সম্পর্ক উন্নয়নে সচেষ্ট থাকবে। এর প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে স্থিতিশীলতার পক্ষে একটি মানবিক ভূমিকা পালন করতে পারে তা এ অঞ্চলের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতার জন্য বিশেষ গুরুত্ববহ হবে।
(গ) শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্য : শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে অভ্যুদয়ঘটা বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা আনার ভূমিকা পালন করা সম্ভব। বাঙালি এবং পশ্চিম পাকিস্তানিদের মধ্যে যে বৈরিতা বিরাজ করছে, আগেভাগে তার মুক্তি তা প্রশমন করতে সাহায্য করবে। পূর্বে অবস্থানকারী হাজার হাজার পশ্চিম পাকিস্তানি ও অবাঙালি সমস্যাও লাঘব হবে। শেখ মুজিবের মুক্তির ব্যাপারে ভুট্টো কী ভাবছেন প্রেসিডেন্ট তাও জিজ্ঞেস করতে পারেন এর সঙ্গে একটি যোগসূত্রও উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুজিবের মুক্তি নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা কামনা করেছেন। মুজিবের মুক্তির ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র সক্রিয় হলে বাঙালিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ধনাত্মক প্রভাব সৃষ্টি করবে, অবশ্য তার বিরূপ প্রভাব পড়বে পশ্চিম পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে। কার্যত আমরা স্বীকার করি এটি অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়। এ নিয়ে গভীর ভাবনারও দরকার আছে।
(ঘ) অর্থনৈতিক সহযোগিতা : পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা নবায়নের আগ্রহ ভুট্টো প্রকাশ করবেন, এটা ধরে নিয়ে আমাদের সুপারিশ হচ্ছে প্রেসিডেন্ট পশ্চিম পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ে তার সহানুভূতিশীল উচ্চাশা প্রকাশ করে বলতে পারেন, নতুন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে পাকিস্তান যখন পরিকল্পনা গ্রহণ করবে, যুক্তরাষ্ট্র ও সাহায্যদাতা কনসোর্টিয়ামের অন্যান্য সদস্য তাতে অবদান রাখবেন।
(ঙ) সামরিক সহায়তা : ভুট্টো যদি প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন আমাদের পরামর্শ হচ্ছে তা চতুরতার সঙ্গে সাময়িকভাবে এড়িয়ে যেতে হবে।
ফারল্যান্ড
পাদটীকা : ভুট্টো শেষ পর্যন্ত একাত্তরের ডিসেম্বরে আর প্রেসিডেন্ট নিক্সনের দেখা পাননি। দেখা হয় ১ বছর ৯ মাস পর ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সফরকালে।
লেখক : কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক
