রাজধানীর মালিবাগের ফরচুন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অর্থ লুটের অভিযোগ করেছে ফরচুন দোকান মালিক সমিতি। তাদের দাবি ফরচুন শপিং মল দোকান মালিক সমিতি নাম দিয়ে একটি অবৈধ কমিটি করে টাকা লুট করেছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফরচুন শপিং মল দোকান মালিক সমিতির নেতারা।
গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফরচুন দোকান মালিক সমিতির নেতারা এই লুটের অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ফরচুন ফাউন্ডেশন লিমিটেডের পরিচালকরা অবৈধ কমিটির অনুমোদন নিয়ে গত বছরের ৬ আগস্ট শপিং মলের সমিতির অফিসে গিয়ে ৩ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা লকারে থাকা গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ ৫০ লাখ ৭০ হাজার টাকা লুট করে ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় রমনা থানায় একটি জিডি করা হয়। পরে এ বিষয়ে আদালতে একটি মামলা করা হয়, যা তদন্তের ভার পিবিআইকে দেওয়া হয়েছে। এই দুর্নীতি-অনিয়ম, দখলদারি ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোর দাবি জানান ভুক্তভোগীরা।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মার্কেটে অবস্থানকারী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তামজিদ খান বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমাদের বৈধ কমিটি (ফরচুন শপিং মল দোকান মালিক সমিতি) ছয় মাস ধরে দায়িত্বে আছে। সাবেক কমিটির কিছু লোক আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা মার্কেটের বাইরে বসে ভিত্তিহীন কথা ছড়াচ্ছে। তাদের কমিটির কোনো বৈধতা নেই। এ বিষয়ে আদালতে মামলা চলছে। এর পরও তারা কীভাবে সংবাদ সম্মেলন করে।
