১০ মাসের বিরতির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ দল। ২০ জানুয়ারি প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে। সেদিনই বোঝা যাবে করোনার পর দলের ফিল্ডিং কোন পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আছে। তবে বাংলাদেশ দলের ফিল্ডিং পরামর্শক রায়ান কুক খুব আশাবাদী।
কুকের তত্ত্বাবধানে আড়াই বছরে সাকিবদের ফিল্ডিংয়ের মান বেশ উন্নত হয়েছে। করোনাকালে অনুষ্ঠিত বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে ক্রিকেটাররা ফিল্ডিং মন্দ করেননি। গতকাল বিসিবির হোয়াটঅ্যাপ গ্রুপকে দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎকারে কুক বলেছেন, ‘আমার মনে হয় তাদের মধ্যে দারুণ এনার্জি আছে। তারা নিজেদের ফিল্ডিং নিয়ে পরিশ্রম করছে। অতিরিক্ত কাজও করতে চাচ্ছে এবং দারুণ চেষ্টা করছে যা আমি পছন্দ করি। তাদের টেকনিক নিয়ে অনেক কাজ করতে হবে, বিশেষ করে ক্যাচিং ও গ্রাউন্ড ফিল্ডিংয়ের কিছু দিক নিয়ে। থ্রোয়িং বেশ ভালো। তাই আমি আশা করছি তাদের উন্নতি করার এই তাগিদ, আগামী দু’বছরে আরও উন্নতি করতে সাহায্য করবে।’
লম্বা সময়ের বিরতির পর মাঠে নামায় বাংলাদেশের কোনো সমস্যা হবে না বলেই মনে করেন টাইগারদের ফিল্ডিং কোচ, ‘আমার মনে হয় তারা বেশ কিছু প্রস্তুতি ম্যাচ পেয়েছে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে। পঞ্চাশ ওভারের টুর্নামেন্টের সময় আমি এখানে ছিলাম এবং সেখানে তাদের ফিল্ডিং খুবই প্রশংসনীয় ছিল। সবারই বেশ সুস্থ, সতেজ এবং প্রস্তুত থাকবার কথা।’ আন্তর্জাতিক ম্যাচে দ্রুত সাকিবরা মানিয়ে নেবেন বলেই মনে করেন কুক, ‘খেলোয়াড়রা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের পর একটি বিরতি থেকে ফিরেছেন। তাই তাদের ধীরে ধীরে অনুশীলনের মধ্যে ফিরিয়ে আনছি, মাঠে তাদের মুভমেন্ট এবং বেসিকের ওপর কাজ করছি, তাদের থ্রোয়িংকে আগের জায়গায় আনার চেষ্টা করছি যেহেতু বেশ কিছু সময় পর তারা ফিরছেন। কিছু ক্ষেত্রে আপনি একটু অনভ্যস্ত হয়ে গিয়ে ইনজুরিতে পড়তে পারেন। তাই তাদের ধীরে ধীরে আগের জায়গায় আনার চেষ্টা করছি। সিরিজের কাছাকাছি আসতে আসতে আমরা অনুশীলনের তীব্রতা বাড়াব।’
