জন্ম নিবন্ধনে ফিঙ্গার প্রিন্ট কেন নয় : হাইকোর্ট

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২১, ০২:৩৭ এএম

জন্ম নিবন্ধনের সময় দেশের নাগরিকের আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গার প্রিন্ট) ও আই কন্ট্যাক্ট (আইরিশের প্রতিচ্ছবি) নেওয়ার প্রশ্নে রুল জারি করেছে উচ্চ আদালত। এটি বাধ্যতামূলক করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না রুলে তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের বেঞ্চ এ রুল জারি করে। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেল, স্থানীয় সরকার সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে আদেশে।

বেওয়ারিশ লাশের পরিচয় জানা, অপরাধী দ্রুত শনাক্ত ও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান পাওয়ার সুবিধার্থে জনস্বার্থে এ রিট আবেদনটি করেন মানবাধিকার সংগঠন ‘সারডা সোসাইটি’র নির্বাহী পরিচালক আরিফুর রহমান মুরাদ ভুঁইয়া। আদালতে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। রিটকারী আইনজীবী আরজিতে উল্লেখ করেন, তিন বছর বয়সের আগে মানুষের আঙুলের ছাপ প্রকৃতিগতভাবেই সাধারণত ওঠে না। এক্ষেত্রে প্রাকৃতিকভাবে আঙুলের ছাপ উঠলে তখন সেটি জন্ম সনদের সঙ্গে যুক্ত করে নতুন করে জন্মসনদ দেওয়া যেতে পারে।

তিনি বলেন, সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতকের ক্ষেত্রে সাময়িক জন্ম নিবন্ধন সনদ দেওয়া হলেও ডাক্তারি পরামর্শক্রমে তিন বছর তদূর্ধ্ব বয়সের সময় ফিঙ্গার প্রিন্টের ছাপ প্রাকৃতিকভাবে উঠলে তখন অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির পূর্বে সাময়িক জন্ম নিবন্ধন সনদ জমা দিয়ে আসল জন্ম সনদ নেওয়া যেতে পারে। তখনই শিশুর ফিঙ্গার প্রিন্ট ও চোখের আই কন্ট্যাক্ট নিশ্চিত করা সম্ভব। আর যেসব শিশু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হবে না, তাদের ক্ষেত্রে যখনই আসল জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে আসবে তখনই সাময়িক সনদ জমা দিয়ে ফিঙ্গার প্রিন্ট ও চোখের আই কন্ট্যাক্ট নিশ্চিত করতে নির্দেশ প্রদানের আরজি জানানো হয় রিট আবেদনে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত