কভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে সারা বিশ্ব আজ লড়াইয়ে নেমেছে। বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। আমাদের প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেকের বিজ্ঞানীরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি করছে করোনার টিকা বঙ্গভ্যাক্স, আমাদের নিজেদের ভ্যাকসিন।
গত বছর ৮ মার্চ যখন বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়, তখন আমরা একটি মিটিংয়ে বসি। সেখানে জরুরি ভিত্তিতে তিনটি নতুন প্রজেক্ট শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় করোনা শনাক্তকরণ কিট, করোনা ভ্যাকসিন এবং করোনার ওষুধ হিসেবে মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি (কোনো অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে দেহে বিভিন্ন প্রকারের অ্যান্টিবডি তৈরি হয়, যার মধ্য থেকে একটিমাত্র প্রকরণ বেছে নিয়ে শুধু সেটির সংখ্যা বাড়িয়ে ওই অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুতকৃত ওষুধ) তৈরি।
আমরা দিন-রাত পরিশ্রম করে মার্চের ২৪-২৫ তারিখে করোনা শনাক্তকরণ কিটের প্রাথমিক সংস্করণ তৈরি করি, যা ডিজিডির (ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর) মাধ্যমে আমরা আইইডিসিআরে (সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান) জমা দিই। আইইডিসিআর সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাদের মতামত জানায়। এই কাজ করতে গিয়ে আমরা অনেক কিছু শিখেছি।
গত বছরের ২ জুলাই ভ্যাকসিনের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করি, অনেকেই সেখান থেকে আমাদের ব্যাপারে প্রথমবারের মতো জানতে পারেন। আমরা যখন কাজ শুরু করি তত দিনে নানা দেশের বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পাবলিক ডেটাবেইসে নতুন করোনাভাইরাসের প্রোটিন এবং জিনোম সিকোয়েন্স আপলোড করেছেন। পরে আমাদের দেশেও সিকোয়েন্সিং (ডিএনএ, আরএনএ বা প্রোটিন ইত্যাদি বড় পলিমারিক জৈবনিক অণুর মনোমার এককসমূহ কী ক্রমানুসারে সাজানো আছে তা নির্ণয় করা) হয়েছে। আমরা লক্ষ করি, করোনাভাইরাসটির একটি পরিবর্তন যেটি উ৬১৪এ (স্পাইক প্রোটিনের ৬১৪ নম্বর অ্যামিনো অ্যাসিড রেসিডিউ যেখানে অ্যাসপারটেট উ-এর পরিবর্তে গ্লাইসিন এ হয়) নামে পরিচিত, সেটি বাংলাদেশে সিকোয়েন্স করা সব নমুনায় পাওয়া যাচ্ছে। এ রকম পরিবর্তন বিশ্বে তখন বিরল।
খুঁজে দেখি বাইরের সিকোয়েন্সগুলোর মধ্যে স্যানডিয়োগোর একটি গবেষক দল এ রকম একটি পরিবর্তন রিপোর্ট করেছে। কিন্তু এই পরিবর্তনটি যেহেতু বাংলাদেশের সব নমুনায় ছিল, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে আমাদের ভ্যাকসিনটি এই প্রকরণের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে তৈরি করতে হবে। তা ছাড়া এটি যেহেতু পোষক কোষের রিসেপ্টরের সঙ্গে প্রায় ১১ গুণ দৃঢ়ভাবে বন্ধন তৈরি করতে পারে, সেহেতু ভাইরাসটি বিবর্তিত হয়ে এই পরিবর্তনটি একসময় ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্প্রতি এ রকমটাই দেখা যাচ্ছে।
আমাদের তিনটি ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের মধ্যে এমআরএনভিত্তিক ভ্যাকসিনটিই সবচেয়ে ব্যবহারের দিক থেকে নিরাপদ ও উৎপাদনের দিক থেকে সবচেয়ে সুবিধাজনক বিবেচনা করি।
২ জুলাই সংবাদ সম্মেলনের আগে আমরা একটি অনিয়ন্ত্রিত অ্যানিমেল ট্রায়াল করি। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল দুটি। প্রথমত, প্রাণীর দেহে এটি অ্যান্টিবডি তৈরি করে কি না এবং দ্বিতীয়ত, সেই অ্যান্টিবডি আমাদের কাঙ্ক্ষিত অ্যান্টিজেন তথা স্পাইক প্রোটিনের সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত হতে পারে কি না। তিনটি ক্যানডিডেটই আমরা পাঁচটি খরগোশের ওপর প্রয়োগ করি। এটি ছিল এক ধরনের প্রুফ অব কনসেপ্ট ট্রায়াল অর্থাৎ আদৌ এই ক্যানডিডেটগুলো কার্যকর হবে কি না তা বোঝার একেবারে প্রাথমিক চেষ্টা। প্রতিটি ক্যানডিডেটই ওই দুটি শর্ত পূরণ করে। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা এমআরএনএ ভ্যাকসিন নিয়ে অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।
সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে আমরা নিয়ন্ত্রিত অ্যানিমেল ট্রায়াল পরিচালনা করি। প্রথমত, এমআরএনএভিত্তিক ক্যানডিডেট প্রাণীর দেহে নিরাপদ কি না তা পরীক্ষা করার জন্য আমরা ৫টি গ্রুপে ৬টি করে ৩০টি ইঁদুর নিই। তার মধ্যে একটি গ্রুপ ছিল কন্ট্রোল, যাদের ওপর কোনো কিছু প্রয়োগ করা হয়নি, একটি গ্রুপ ছিল প্লাসিবো যাদের ওপর ভ্যাকসিনের এপিআই ব্যতীত শুধু সহযোগী উপাদান বা বাফার প্রয়োগ করা হয় এবং বাকি তিনটি গ্রুপে নিম্ন-মধ্যম-উচ্চ তিনটি ভিন্নমাত্রায় ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। এতে করে তাদের দেহে কোনো বিষক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি এবং রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা কোনোপ্রকার অনাকাক্সিক্ষত আচরণ করেনি। যারা প্রকৃত ভ্যাকসিন পেয়েছিল সেই ১৮টি ইঁদুরের প্রত্যেকটির দেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়, যেটা কাঙ্ক্ষিত টার্গেট তথা স্পাইক প্রোটিনের নির্দিষ্ট অংশের সঙ্গে যুক্ত হতে সক্ষম।
পরবর্তী ধাপের পরীক্ষায় আমরা দেখতে চেয়েছি যে, ভ্যাকসিন প্রয়োগ করার পর ইঁদুরের দেহে ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে কি না। উল্লেখ্য, ঝঅজঝ-ঈড়ঠ-২ স্বাভাবিক নিয়মে ইঁদুরের কোষে ঢুকতে পারে না, কেননা তাদের রিসেপ্টর মানুষের অঈঊ ২ বা অন্যান্য ভাইরাল টার্গেটের মতো নয়। এজন্য বিশেষ ব্যবস্থায় এডিনোভাইরাস ব্যবহার করে ইঁদুরের কোষে ওই ভাইরাস সংক্রমণের উপযোগী পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়। এ রকম ১৮টি ইঁদুরকে ৬টি গ্রুপে সমানভাবে ভাগ করে একটি গ্রুপকে কন্ট্রোল রাখা হয় যাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়নি, একটি প্লাসিবো এবং বাকি ৪টি গ্রুপে মধ্যম ডোজের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। এর ১০ দিন পর সবগুলো ইঁদুরের ন্যাসোফ্যারিংস বা নাসা-গলবিলের মধ্য দিয়ে ভাইরাস প্রবেশ করানো হয়। ভাইরাসগুলোর জিনোমে ইচ্ছা করে জিএফপি এক্সপ্রেশনের কোড যোগ করা ছিল, যাতে করে পরে সহজে বোঝা যায় কোন কোষে সেটা ঢুকেছে। তার ৪৮ এবং ৭২ ঘণ্টা পরে ইঁদুরগুলোকে আমরা স্যাকরিফাইস (বিজ্ঞানের নামে উৎসর্গ করা বা মেরে ফেলা) করি। সেগুলোর ফুসফুসের নমুনা নিয়ে রিয়েল টাইম পিসিআর করি। দেখা যায়, কন্ট্রোল গ্রুপের প্রতিটি ইঁদুরের ফুসফুসের কোষে ভাইরাস প্রবেশ করতে পেরেছে কিন্তু ভ্যাকসিন পাওয়া ইঁদুরগুলোয় ভাইরাসের মাত্রা সেই তুলনায় খুব কম বা একেবারে অনুপস্থিত।
গত বছর অক্টোবরে গ্লোব বায়োটেক ও আইসিডিডিআর,বি (আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ)-এর মধ্যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনার ব্যাপারে একটি এমওইউ (দুই বা ততোধিক প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক চুক্তি) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু তারা শেষ পর্যন্ত ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করার কোনো উদ্যোগ নেননি। তাদের সেই সক্ষমতা নেই, নাকি অন্য কোনো ইন্টারেস্ট থেকে তারা সেটা করেছে স্পষ্টভাবে কখনো জানতে পারিনি। তারা শুধু বলতেন, প্রেশার দিয়েন না। তাদের কালক্ষেপণের কারণে এভাবে অন্তত দুই মাস সময় নষ্ট হয়। তাই শেষ পর্যন্ত চুক্তি বাতিল করতে আমরা বাধ্য হই।
তারপর আমরা সরকারের সঙ্গে চুক্তি করি। ডিজিডিএ, আইইডিসিআর ও সিআরও বাংলাদেশের (ভ্যাকসিন বা ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল প্রভৃতি ক্লিনিক্যাল গবেষণায় সহায়তা করে বাংলাদেশের এমন একটি প্রতিষ্ঠান) সঙ্গে অংশীদারত্বে আবার ট্রায়ালের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করি। চুক্তির অংশ হিসেবে সম্ভাব্য ভ্যাকসিনটির নাম ব্যানকোভিড থেকে পাল্টে বঙ্গভ্যাক্স করা হয়। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য ভ্যাকসিন উৎপাদন ও ব্যবহার এবং প্লাসিবো ইত্যাদি জিনিসপত্রের অনুমোদন ও লাইসেন্স নেওয়ার জন্য কাজ চলছে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পরিকল্পনা বা প্রটোকল তৈরি করে সেটি নৈতিক অনুমোদনের জন্য বিএমআরসিতে (বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ) জমা দিয়েছি। এখন অপেক্ষা করছি অনুমোদনের।
সারা বিশ্বের মতো আমরাও হয়তো দ্রুততার স্বার্থে বিভিন্ন ফেইজ সমান্তরালভাবে ট্রায়াল দিতে চাইব, নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ফেইজ-১ এ যেখানে সুস্থ ব্যক্তিদের ওপরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়, সেখানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে ভ্যাকসিন গ্রহণে আমরা ও থাকব, যারা ভ্যাকসিন তৈরির সঙ্গে জড়িত। বাইরের স্বেচ্ছাসেবকদেরও যুক্ত করারও পরিকল্পনা রয়েছে। এই ফেইজে মূলত দেখা হবে ভ্যাকসিনটি থেকে কোনো অনাকাক্সিক্ষত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় কি না এবং গ্রহীতার দেহে অ্যান্টিবডি উৎপাদিত হয় কি না। যদি অ্যান্টিবডি তৈরি হয় তাহলে সেটির ভাইরাসের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ক্ষমতা কতটুকু। ফেইজ-১-এ ১৮ বছরের কমবয়সীদের, ক্যানসারের ইতিহাস আছে এমন ব্যক্তি, গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী মা ইত্যাদি ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। তবে অন্যদের পাশাপাশি তাদেরও পরবর্তী ফেইজসমূহে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে যদি দেখা যায় ফেইজ-১ অনুযায়ী ভ্যাকসিনটি যথেষ্ট নিরাপদ। ফেইজ-২ ও ৩-এর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো সবচেয়ে পরিমিত ডোজের মাত্রা ও সংখ্যা নির্ধারণ এবং কত দিন পর্যন্ত সুরক্ষা পাওয়া যায় তা দেখা। একই সঙ্গে কোনো দীর্ঘমেয়াদি বা বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় কি না সেটাও এখান থেকে জানা যাবে।
গ্লোব বায়োটেকের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ব্যবহার করলে মাসে এক কোটি ডোজের ওপরে উৎপাদন করা সম্ভব হবে। আমাদের ভ্যাকসিনের প্রযুক্তি মডার্নার অনুরূপ। মডার্নার মতো আমাদের ভ্যাকসিনটিও মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ছয় মাস পর্যন্ত কার্যত অপরিবর্তিত থাকবে এবং ২-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এক মাস পর্যন্ত রাখা যাবে। অর্থাৎ বাংলাদেশে বর্ধিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে একেবারে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ভ্যাকসিন সংরক্ষণ ও বিতরণের যে ব্যবস্থা আগে থেকে বিদ্যমান, সেই সুবিধা কোনোরূপ পরিবর্তন না করেই আমাদের ভ্যাকসিন (যদি অনুমোদন পায়) দেওয়া সম্ভব। তাই আমি মনে করি, এ ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের কোল্ড চেইন ও সাপ্লাই চেইন কোনো সমস্যা নয়।
প্রতিটি মানুষের কতগুলো ডোজ প্রয়োজন সেটা নিশ্চিতভাবে নির্ধারণের জন্য মানবদেহে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন। হিউম্যান ট্রায়ালের আগে দামের ব্যাপারে নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না। শুধু এটুকু বলতে পারি, মডার্নার ভ্যাকসিনের চেয়ে অনেক কম দামে আমরা এটি দেশের মানুষকে দিতে পারব।
যদিও বায়োআরকাইভ প্রি-প্রিন্ট সার্ভার কোনো পিয়ার-রিভিউড জার্নাল নয়; তবু এখানে আমরা তা প্রকাশ করেছি কেননা আমরাই যে উ৬১৪এ প্রকরণের বিরুদ্ধে প্রস্তুত করা প্রথম কভিড-১৯ ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করি তার প্রমাণ রাখা চাই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের খসড়া তালিকায় আমাদের ডিএনএ ও আরএনএভিত্তিক দুটি ক্যানডিডেটের নাম উল্লেখ রয়েছে, যেখানে দেশীয় কোম্পানি গ্লোব বায়োটেকের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের নামও তিনবার উল্লিখিত হয়েছে, একজন বাংলাদেশি হিসেবে এটা আমার অনেক বড় পাওয়া।
গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেড ৩০ বছর ধরে তিন শতাধিক জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সাশ্রয়ী মূল্যে দেশ এবং বিদেশে রপ্তানি করে আসছে। সুদীর্ঘ এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সালে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করে মূলত দেশের মানুষকে সাশ্রয়ী মূল্যে মূল্যবান জৈবিক ওষুধ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে। সেই থেকে আজ অবধি, গ্লোব বায়োটেক জীবন রক্ষাকারী জৈবিক ওষুধ প্রস্তুতের জন্য মানসম্পন্ন এপিআই এবং ডোসেজ ফর্ম উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণ করতে মানসম্মত গবেষণাগার, প্রাণী কেন্দ্র ও উৎপাদন সুবিধা প্রতিষ্ঠা করেছে, যা প্রযুক্তির আধুনিকতম অবস্থা। আমরা আশা করছি, করোনার টিকা উদ্ভাবনে সক্ষম হলে মানবসেবায় আরও একধাপ এগোতে পারব আমরা।
লেখক : গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান
