১৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নেমেছে রবিবার সন্ধ্যায়। সমাপনী দিনে পুরস্কৃত হয় দেশ-বিদেশের ছবি।
রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত উৎসবে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ প্যানারোমা বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে ফাখরুল আরেফীন খান পরিচালিত ‘গণ্ডি’ (দর্শক জরিপ) এবং মাসুদ হাসান উজ্জ্বল পরিচালিত ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ (জুরি)।
এশিয়ান প্রতিযোগিতা বিভাগে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হয়েছে ‘দ্য রোড টু ইডেন’। শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার হয়েছেন নাসিম আহমদপুর ও শারাম মোকরি (ক্যায়ারলেস ক্রাইম)। একই বিভাগে শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক হয়েছেন ওটগনজুরিগ ব্যাচুলুউন (দ্য ওম্যান)। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী মেরুইরট সুব্বুসিনোভা ও শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হয়েছেন নিজাত ইসলার (৯৭৫) এবং শ্রেষ্ঠ পরিচালক কসেনিয়া লাগুটিনা (ফারিদা)।
শ্রেষ্ঠ শিশু চলচ্চিত্রে বাদল রহমান পুরস্কার পেয়েছে রাশিয়ান ‘তাগানক টিম’, নারী চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে স্বল্পদৈর্ঘ্য ইরানি সিনেমা ‘তিরিশকো’র জন্য শাকিবা খালেঘি ও একই বিভাগে স্পেশাল ম্যানশন পুরস্কার পেয়েছেন সুইডেনের জেসিকা লরেন (ওয়ে হোম)।
নারী চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে শ্রেষ্ঠ তথ্যচিত্র হয়েছে ইভডোকিয়া মোসকভিনা পরিচালিত ‘ফরবিডেন চিলড্রেন’ (রাশিয়া, সিরিয়া)। সেরা নারী নির্মাতা হয়েছেন মারগারিদা পাইভা (দ্য লিটল ব্ল্যাক ড্রেস)।
স্পিরিচুয়াল চলচ্চিত্র বিভাগে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হয়েছে সাইপ্রাসের মারিনোস কারতিক্কিস পরিচালিত ‘সিনিয়র সিটিজেন’। একই বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্যচিত্র হয়েছে মেহরদাদ ওস্কৌই পরিচালিত ‘সানলেস শ্যাডো’।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উৎসবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। এছাড়া উৎসবের নির্বাহী কমিটির সদস্য ম. হামিদ ও উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল উপস্থিত ছিলেন।
‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’ স্লোগানে ৯ দিনের এ উৎসবে দেখানো হয় ৭৩ দেশের ২২৫টি ছবি।
