পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ. মান্নান এমপি বলেছেন, সাংবাদিকসহ দেশের সব নাগরিককে পেনশনের আওতায় আনার কাজ চলছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য পেনশন স্কিমের কাজ চলছে। সাংবাদিকেরা সমাজের অগ্রসর মানুষ। তারা আমাদের ভুলভ্রান্তি ধরিয়ে দেন। তারা সমাজের আয়না। তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেনশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।
বুধবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) প্রয়াত সদস্যদের স্মরণে আলোচনা সভা, মরণোত্তর সম্মাননা ও সন্তানদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব ও পেশা বান্ধব। তবে কোথাও কখনো কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলেও সার্বিকভাবে সরকার পেশার পক্ষেই কাজ করে। সাংবাদিকদের কাজে ঝুঁকি শুধু নয়; ভয়ংকর ঝুঁকি রয়েছে। তাই তাদের জন্য ঝুঁকি তহবিল কীভাবে করা যায় সেটি ভেবে দেখা হবে। এ ছাড়া সাংবাদিকদের যে কল্যাণ তহবিল যেটা আছে সেটি কীভাবে আরও প্রসারিত করা যায়, বরাদ্দ বাড়ানো যায় সেটি দেখা হবে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলব।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্র্যাবের সভাপতি মিজান মালিক। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, কুড়িগ্রাম-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ এমপি ও ডিআরইউ সভাপতি মুরসালিন নোমানী, ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান খান ও ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আরিফসহ ক্র্যাবের প্রয়াত সদস্যদের পরিবারের সদস্যরা।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, অনেক বিষয় বাইরে থেকে চাকচিক্য দেখি। কিন্তু ভেতরে অবস্থা যে কত করুণ ও দুর্বিষহ সেটা আমরা দেখতে পাই না। এখানে এসে অনেক কিছুই জানা হলো। আপনারা প্রয়াত সদস্যদের কথা মনে রেখেছেন, তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন এটা অনেক বড় স্বীকৃতি ও অনেক বড় পাওয়া।
তিনি বলেন, সাংবাদিকতা পেশা আলোচিত ও সম্মানের পেশা। সাহসের পেশা। কলম সকলের কাছেই আছে, কিন্তু সাহস সবার নাও থাকতে পারে। বাস্তব জীবন বড় কঠিন। বিশেষ করে ক্রাইম রিপোর্টার যারা দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদকের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লেখেন তাদের ঝুঁকিভাতা থাকা উচিত।
