সংসদ সদস্যদের মধ্যে প্রথম করোনার টিকা নিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘অপপ্রচারে কান দেবেন না’।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেন তিনি।
পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, একটা শ্রেণি টিকা নিয়ে অপপ্রচার করছে। আমি টিকার নেওয়ার পরে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুভব করিনি। কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
বিশ্বের অন্যসব দেশের মত বাংলাদেশের মানুষও এই মহামারীর মধ্যে করোনাভাইরাসের টিকার অপেক্ষায় ছিল।
কিন্তু ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনাভাইরাসের টিকা দেশে আসার আগে আগে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠে। নেতিবাচক কিছু রাজনৈতিক প্রচারও তার সঙ্গে যুক্ত হয়।
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের একজন নার্সকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে বুধবার বিকালে বহু প্রতীক্ষিত টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয় বাংলাদেশে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং প্রথম পাঁচজনকে টিকা দেওয়া দেখেন।
করোনাভাইরাসের টিকা পেতে আগ্রহী সবাইকেই নিবন্ধন করতে হবে। সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে (www.surokkha.gov.bd) গিয়ে অথবা মোবাইলে অ্যাপ ডাউনলোড করে নিবন্ধনের কাজটি সারতে হবে।
তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, সুরক্ষা অ্যাপে আবেদন জমা পড়ছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরের সাথে সার্ভারে সংরক্ষিত তথ্য না মিললে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে না।
