সবশেষ ২০১৯ নিউজিল্যান্ড সিরিজে টেস্ট খেলেছিলেন খালেদ আহমেদ। ওই টেস্টেই শেষবার সিলেটের তিন পেসার আবু জায়েদ রাহি, এবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদ একসঙ্গে খেলেন। সামনে উইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে আবার তিনজনকে সেরা একাদশে দেখা যাবে কি-না তা বলা মুশকিল, কিন্তু টেস্টের দলে তিনজন থাকতেই পারেন। জাতীয় দলে সম্প্রতি পেসারদের রমরমা অবস্থায় সিলেটের তিনজন মাথা উঁচু করে দিচ্ছে রাহির। এজন্য সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেটকে ধন্যবাদ দিলেন রাহি। সিলেট দলে পেসারদের ভালো সুযোগ দেওয়াতেই তিনজন একসঙ্গে এই পর্যায়ে উঠে এসেছেন বলে মনে করেন তিনি।
সম্প্রতি টেস্টের মূল পেসার রাহি। সেই সঙ্গে এবাদত হোসেনকেও টেস্টের জন্য তৈরি করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দুই পেসারের সঙ্গে বাকিরা তো আছেনই। জাতীয় দলে এখন স্পিনারদের চেয়ে পেসার আধিক্য বলা যায়। কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে পেসারদের আধিক্যটা নেই। আগের মতোই পেসারদের চেয়ে নির্ভরতাটা বেশি স্পিনারদের ওপর। সেখানে সিলেট বিভাগকে ব্যতিক্রম দেখছেন রাহি। রাহি বলেন, ‘প্রথমে সিলেট বিভাগকে ধন্যবাদ জানাতে হবে আমাদের। কারণ হলো যখন আমরা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলি তখন সিলেট বিভাগ দলে আমাদের অনেক গুরুত্ব থাকে। অনেক সময় দেখা যায় যে আমরা তিনটা পেস বোলারই দলে খেলছি, অনেক সময় বোলিং করছি টানা। আমি আগেও বলছি যত বেশি বোলিং করব তত বেশি শিখব। এবাদত, খালেদ ওরা বেশি বোলিং করতে চাইত না, এখন যেটা হয়েছে আমরা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সবাই বেশি সময় বল করতে চাই। নিজেদের ভেতরে একটা প্রতিযোগিতা থাকে। এজন্য আমরা এই তিন পেস বোলার বিশেষ করে টেস্টে আসার কারণ হলো সিলেট বিভাগে আমাদের গুরুত্বটা।’
শুধু জাতীয় লিগেই যে সিলেট পেসারদের গুরুত্ব দেয় এমন নয়, যেকোনো সময় অনুশীলনের প্রয়োজন হলেও পাশে দাঁড়ায়। করোনার সময়ে লম্বা বিরতিতেও রাহিদের অনুশীলন সুবিধার ঘাটতি হয়নি, ‘নিজেদের মাঝে অনুশীলন করেছি আর অনেক সময় সিলেট স্টেডিয়ামে আমরা অনুশীলন চালিয়ে গেছি আমি, এবাদত, খালেদ। আমরা চেষ্টা করছি যে যখন ক্রিকেট শুরু হবে তখন যেন আমাদের বোলিংয়ের যে বাড়তি পরিশ্রম করার বিষয় থাকে সেটা করতে সমস্যা না হয়। কবে ক্রিকেট শুরু হবে এটা নিয়ে চিন্তা করিনি। আমরা চেষ্টা করছি আমাদের প্রক্রিয়াতে এগোনোর।’
