করোনাভাইরাসের টিকা নিতে স্থানীয় মন্ত্রী, এমপি, চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, আগামী ৭ তারিখ সারা দেশে একযোগে করোনাভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। আমি আশা করি আপনারা আপনাদের এলাকার মানুষকে টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন। তাদের উদ্বুদ্ধ করবেন টিকাদানে।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্ব এনটিডি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন ছাড়া করোনাভাইরাস নির্মূল করা সম্ভব নয়। অতীতে বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে আমরা ভ্যাকসিন নিয়েছি। সেসব ভ্যাকসিনেও পাশর্^ প্রতিক্রিয়া ছিল। সব টিকার পাশর্^প্রতিক্রিয়া আছে। অক্সফোর্ডের টিকারও পাশর্^প্রতিক্রিয়া আছে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ইতিমধ্যে যারা ভ্যাকসিন নিয়েছে তারা সকলে ভালো আছে। তবে এই টিকা অনেক নিরাপদ।
তিনি বলেন, দেশের সব জেলায় ভ্যাকসিন পৌঁছে গেছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে উপজেলা পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। শুধু শহর নয়, একদম প্রত্যন্ত অঞ্চলে আমাদের মুরব্বিরা, মা-বোনেরা আছেন, তাদের আহ্বান করব আমাদের জেলা-উপজেলায় এসে টিকা নেওয়ার জন্য। আমাদের যারা সহকর্মী আছে তাদের অনুরোধ করব তারাও এই টিকাদান কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। সকলকে টিকাদানে উদ্বুদ্ধ করবেন।
টিকাদান কেন্দ্রে নিবন্ধনের সুযোগ রয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, যারা অনলাইনে টিকার নিবন্ধন করতে পারবেন না তারা টিকাদান কেন্দ্রে গিয়েও নিবন্ধন করতে পারবেন। সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আপনারা নির্ভয়ে টিকা নেন, সুস্থ থাকেন, দেশকে সুস্থ রাখেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি ডা. ইকবাল আর্সলান, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন প্রমুখ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনসিডিসি লাইন ডাইরেক্টর ডা. রোবেদ আমিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমবিডিসির পরিচালক অধ্যাপক ডা. সামিউল ইসলাম।
