সাপ্তাহিক ছুটির কারণে এক দিন টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ থাকার পর আজ শনিবার থেকে যথারীতি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। তবে এখন থেকে কেউ কেন্দ্রে গিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন না। তবে যারা নিবন্ধন করতে কোনো সমস্যায় পড়বেন কেন্দ্রে নিবন্ধনের ব্যাপারে তাদের সহযোগিতা করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কেন্দ্রগুলোতে বিশৃঙ্খলা এড়াতে আজ থেকে দেশের সব টিকাদান কেন্দ্রে টিকার নিবন্ধন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এখন থেকে কেউ কেন্দ্রে গিয়ে নতুন করে নিবন্ধন করতে পারবেন না। তবে যারা নিবন্ধন করতে কোনো সমস্যায় পড়বেন কেন্দ্রে নিবন্ধনের ব্যাপারে তাদের সহযোগিতা করা হবে।
গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কেন্দ্রে নিবন্ধন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘স্পট রেজিস্ট্রেশন বন্ধ রেখেছি। প্রতিদিনই সমস্যা হচ্ছে। খুব ঝামেলা হচ্ছে। যারা রেজিস্ট্রেশন করেছে, তারা টিকা নিতে পারছে না। তাৎক্ষণিকভাবে লোকজন এসে, জোরজবরদস্তি করে রেজিস্ট্রেশন করে টিকা নিয়ে চলে যাচ্ছে। আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না। এ জন্য আপাতত কেন্দ্রে রেজিস্ট্রেশন বন্ধ করে দিয়েছি।’
অন্যদিকে রাজধানীতে ৪৬টি হাসপাতালে ৩০০ বুথে টিকাদান কর্মসূচি চললেও মানুষের আগ্রহ মাত্র তিন-চারটি কেন্দ্রে । খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিবন্ধনের সময় বেশিরভাগ মানুষ মাত্র তিন-চারটি কেন্দ্র পছন্দ করছেন। এরমধ্যে রয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। অথচ ঢাকা শহরের অনেক কেন্দ্র আছে, যেখানে মাত্র পাঁচ-ছয়জন করে নিবন্ধন করছে ও টিকা নিচ্ছে।
রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ এস এম আলমগীর দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঢাকা শহরে অনেকগুলো টিকাদান কেন্দ্র আছে। কিন্তু মানুষ মাত্র তিন-চারটা কেন্দ্র টিকার জন্য পছন্দ করছে। সুতরাং নিবন্ধনের সময় এই তিনটি কেন্দ্র পছন্দ না করে অন্য কেন্দ্রগুলোও বেছে নিতে হবে। তা হলে সহজেই টিকা দিতে পারবেন। এসব কেন্দ্রে নিবন্ধন করলে অনেক স্বস্তির সঙ্গে টিকা নিতে পারবেন। শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল নয়, ঢাকা শহরের ৫০টিরও বেশি কেন্দ্রে সহজেই টিকা নেওয়া যায় এবং সেখানে ভিড় নেই।
