উন্নত দেশের উপযোগী পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘পুলিশের বেসিক ট্রেনিংয়ের সিলেবাস পর্যালোচনা করে বিভিন্ন পদের দায়িত্ব ও প্রয়োজনানুযায়ী নতুন করে সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে। বাস্তব প্রয়োজনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এই প্রশিক্ষণ কারিকুলাম ঢেলে সাজানো হচ্ছে।’
গতকাল বুধবার বিকেলে রাজশাহীর সারদায় পুলিশ অ্যাকাডেমির বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী ভবনের সম্মেলন কক্ষে পুলিশের সব প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রধানের সভায় আইজিপি এসব কথা বলেন। তিনি এই সভায় সভাপতিত্ব করেন।
ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘জনগণকে আরও উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী কনস্টেবল থেকে অতিরিক্ত আইজি পর্যন্ত প্রত্যেক পুলিশ অফিসার ও ফোর্সকে বছরে কমপক্ষে ৬০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে পুলিশের সব প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়াতে এগুলোর আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।’
প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের ‘কি পারসন’ আখ্যায়িত করে আইজিপি বলেন, আপনারা পুলিশের পথের দিশারী, আপনারা যেভাবে পথ দেখাবেন পুলিশ সেভাবে চলবে। আপনারা পথ না হারালে বাংলাদেশ পুলিশও পথ হারাবে না।’
তিনি বলেন, ‘দুর্নীতিমুক্ত পুলিশ গড়তে সবাইকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে। আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ জীবনযাপন করতে হবে।’
সভায় প্রশিক্ষণ পুল গঠন, ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অবকাঠামো, যানবাহন ও জনবল বৃদ্ধিসহ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় সূচনা বক্তব্য দেন অতিরিক্ত আইজি (এইচআরএম) মো. মাযহারুল ইসলাম। পুলিশ অ্যাকাডেমি, পুলিশ স্টাফ কলেজ এবং ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারসহ অন্যান্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের ৬০ জন প্রধান প্রশিক্ষক সভায় অংশ নেন।
