জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ তিন ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠান ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক’ পাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট এ বছরই প্রথম এ পদক দিচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ইনস্টিটিউটের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মাতৃভাষার সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন, বাইরের দেশে নিজ দেশের ভাষার প্রচার-প্রসারে অবদান রাখার জন্য দেশের এবং দেশের বাইরের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক’ দেওয়া হচ্ছে। এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক, ভাষাবিজ্ঞানী ও নজরুল গবেষক রফিকুল ইসলাম ছাড়াও এ পদক পাচ্ছেন মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা। মথুরা খাগড়াছড়ির জাবারাং কল্যাণ সমিতি নামে এক বেসরকারি সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণে অবদানের জন্য তাকে এ পদক দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উজবেকিস্তানের গবেষক ইসমাইলভ গুলম মিরজায়েভিচ এবং লাতিন আমেরিকার নৃগোষ্ঠীর ভাষা নিয়ে কাজ করা বলিভিয়ার অনলাইন উদ্যোগ ‘অ্যাক্টিভিজমো লেংকুয়াস’ এ বছর বাংলাদেশ সরকারের এ সম্মাননা পাচ্ছে।
ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং এ আন্দোলনের দুর্লভ আলোকচিত্র সংগ্রহ করেন।
মুজিববর্ষে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট। এরই অংশ হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেলের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
