নাটোরের সিংড়ায় আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মচারী শ্রী কৃষ্ণচন্দ্রকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে সিংড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসারের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর দাবি, করোনার সময় খামারিদের দেওয়া প্রণোদনা তালিকায় নাম না উঠানোয় তাকে মারধর করেন হালিম মো. হাসমত নামে ওই আওয়ামী লীগ নেতা। এ ঘটনায় ওইদিন দুপুরে তাকে আটক করে পুলিশ।
অভিযুক্ত হাসমত ওই উপজেলার সুকাশ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় বামিহাল রহমত ইকবাল অনার্স কলেজের প্রভাষক।
মারধরের শিকার কৃষ্ণচন্দ্র জানান, গতকাল দুপুরে প্রাণিসম্পদ অফিসে একটি সভা চলাকালীন তাকে মুঠোফোনে বাইরে আসতে বলেন হাসমত। পরে তিনি বাইরে গেলে হাসমত, ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মিন্টু, ৫নং ওয়ার্ডের সভাপতি মঞ্জু মিলে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং মারধর করে। করোনাকালীন সরকারি প্রণোদনা পাওয়ার উপযোগী না হওয়ায় তাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়নি। এ জন্য তাকে মারধর করে তারা। মারধরের ঘটনায় তৎক্ষণাৎ উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে হাসমতকে আটক করে পুলিশ।
সিংড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. এম এম খুরসিদ আলম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিংড়া থানার ওসি নূর-এ-আলম সিদ্দিকী জানান, প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মীকে মারধরের অভিযোগে হাসমতকে আটক করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
