পঞ্চম শ্রেণি : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:৫৯ পিএম

অধ্যায় : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ

যোগ্যতাভিত্তিক কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন

(গত সংখ্যার পর)

৯. মুক্তিবাহিনী কখন গঠন করা হয়? মুক্তিবাহিনী গঠনের উদ্দেশ্য কী ছিল? তুমি মুক্তিবাহিনীর একটি ব্রিগেড ফোর্সের প্রধান হলে যা করতে তা ৪টি বাক্যে লেখ।

উত্তর : ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করা হয়।

মুক্তিবাহিনী গঠনের উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনা করে স্বাধীনতা অর্জন করা।

মুক্তিবাহিনীর একটি ব্রিগেড ফোর্সের প্রধান হলে আমি যা করতাম

ক. মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতাম।

খ. শত্রুর অবস্থা জেনে যুদ্ধের কৌশল ঠিক করতাম।

গ. মুক্তিযোদ্ধাদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করতাম।

ঘ. আমার সেক্টরে থাকা সব মানুষের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতাম।

১০. মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা কে ছিলেন? মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষ কীভাবে অংশ নিয়েছিল তা ৫টি বাক্যে লেখ।

উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষ যেভাবে অংশ গ্রহণ করেছিল তার মধ্য থেকে পাঁচটি দিক ৫টি উল্লেখ হলো

ক. অনেক মানুষ প্রশিক্ষণ নিয়ে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল।

খ. অনেকে পাকিস্তানিদের গোপন তথ্য সংগ্রহ করে মুক্তিযোদ্ধাদের দিত।

গ. নারীরা খাদ্য, আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে সাহায্য করত।

ঘ. সাংস্কৃতিক কর্মীরা তাদের কাজের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করত।

ঙ. অনেক মানুষ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তুলেছিল।

১১. মুক্তিযুদ্ধের সময় সারা দেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল? সারা দেশকে কেন বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল? সেক্টর ১০ এর সীমানা এবং কার্যক্রম লেখ।

উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের সময় সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।

যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য সারা দেশকে বিভিন্ন সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। এটি ছিল যুদ্ধ পরিচালনার একটি সামরিক কৌশল।

১০ নম্বর সেক্টরের কোনো আঞ্চলিক সীমানা ছিল না। এই সেক্টরটি নৌবাহিনীর কমান্ডো নিয়ে গঠিত হয়েছিল। এই কমান্ডোরা নৌ অভিযানের প্রয়োজনে যেকোনো সেক্টর এলাকায় গিয়ে অপারেশন শেষে ১০ নম্বর সেক্টরে ফিরে আসত। মুক্তিযুদ্ধের সময় ১০ নম্বর সেক্টরের কমান্ডোরা পাকিস্তানি বাহিনীর বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করে।

১২. মুক্তিবাহিনীকে কয়টি বাহিনীতে করা হয়েছিল? বাহিনীগুলো কী কী? প্রতিটি সেক্টরের গেরিলা বাহিনীর জন্য কী কী নির্দেশনা ছিল?

উত্তর : মুক্তিবাহিনীকে দুটি বাহিনীতে ভাগ করা হয়েছিল।

ক. নিয়মিত বাহিনী            খ. গেরিলা বাহিনী

প্রতিটি সেক্টরের গেরিলা বাহিনীর জন্য নিম্নলিখিত নির্দেশনা ছিল

ক. অ্যাকশন গ্রুপ অস্ত্র বহন করবে এবং সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেবে।

খ. ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ শত্রুপক্ষের গতিবিধি সম্পর্কে খবরা-খবর সংগ্রহ করবে।

১৩. বঙ্গবীর কার উপাধি? তিনি কে ছিলেন? মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের মানুষের প্রিয়গান ছিল কোনটি? মুক্তিযোদ্ধাদের প্রিয় সেøাগান ছিল কোনটি?

উত্তর : ‘বঙ্গবীর’ জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর উপাধি। জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী ছিলেন মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।

মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের মানুষের প্রিয়গান ছিল ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’।

‘জয় বাংলা’ ধ্বনি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রিয় সেøাগান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত