দেশি পণ্য বিক্রির জন্য ই-কমার্স কোম্পানিকে ক্যাশ ইনসেনটিভ দেওয়াসহ ১৯ প্রস্তাব দিয়েছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। জাতীয় রাজস্ব ভবনের সম্মেলন কক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় এ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন ই-ক্যাবের প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছেÑ ই-কমার্সকে আইটিইএসের অন্তর্ভুক্ত করা, আয়কর আইনের ১৯৮৪ এর ধারা অনুযায়ী ই-কমার্সকে সংজ্ঞায়িত করা, ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা, পণ্য ডেলিভারি চার্জে ভ্যাট প্রত্যাহার, ই ও এফ কমার্স অফিসের ভাড়ার ভ্যাট প্রত্যাহার করা, বুদ্ধিভিত্তিক পণ্যের ক্ষেত্রে ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতি, বছরে ৫০ লাখ টাকার কম বিক্রি হলে ভ্যাট অব্যাহতি, ই-কমার্সে ৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের পরিবর্তে নির্দিষ্ট পরিমাণ ভ্যাট প্রদানের সুবিধা ইত্যাদি।
শমী কায়সার বলেন, কভিডের সময় ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রি নতুন করে ফোকাসে এসেছে। এ সময় ৭০-৮০ শতাংশ নতুন কোম্পানি হয়েছে। ৩০০-এর বেশি নতুন ডেলিভারি কোম্পানি তৈরি হয়েছে। ই-ক্যাবের প্রায় দেড় হাজার সদস্য। আমরা সরকারকে রাজস্ব দিতে চাই।
