জীবনে ‘প্রথমবারের মতো’ টানা ১৪ দিন প্রায় ঘরবন্দী থাকার পর বুধবার থেকে অবাধে চলাচলের সুযোগ পেয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। কুইন্সটাউনে রওনা হওয়ার পথে ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবালের কথাতেই সেটি স্পষ্ট।
‘খুব ভালো লাগছে এখন। আমাদের জন্য এ রকম অভিজ্ঞতা এবারই প্রথম,’ জানিয়ে তামিম বলেন, ‘সুরক্ষা বলয়ে আমরা আগেও ছিলাম, কিন্তু পুরো আইসোলেশনে আগে থাকিনি। সত্যি বলতে, তারা আমাদের দেখভাল খুব ভালোভাবে করেছে।’
‘নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট যেভাবে সবকিছুর ব্যবস্থা করেছে, আমাদের দল থেকে আমরা কেবল ধন্যবাদই জানাতে পারি। এ রকম অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যাওয়া সহজ নয়। তারা আমাদের যতটা সম্ভব স্বস্তিতে রাখার চেষ্টা করেছে।’
‘অনেক বড় পার্থক্য (১৪দিনের কোয়ারেন্টাইন) গড়ে দেয় এটা। এবার আমাদের সময় প্রায় ৪৫ দিনের, সাধারণ পরিস্থিতিতে এই সফর হয়তো ২০ দিনেই শেষ করে আমরা বাড়ি ফিরতে পারতাম। এখন ১৪দিন আইসোলেশনে (কোয়ারেন্টাইন) থাকতে হলে। কিন্তু এখন সময়টাই এমন।’
‘সংশ্লিষ্ট দেশের নিয়মকে শ্রদ্ধা করতেই হবে আমাদের। সামনে তাকাতে হবে। ভালো ব্যাপার হল, এখন আমরা মুক্ত। তাজা বাতাসে শ্বাস নিতে পারছি। আইসোলেশনের সময় কেবল নির্দিষ্ট একটু সময় এই সুযোগ ছিল। এখন সব ভালো।’
ক্রাইস্টচার্চে প্রথম ৭দিন হোটেলবন্দী ছিল বাংলাদেশ। পরের ৭দিন স্কোয়াডে থাকা ২০ ক্রিকেটার তিনটি ভাগে ভাগ হয়ে দুই ঘণ্টা করে অনুশীলন করেছে। কুইন্সটাউনে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে পুরোদমে অনুশীলন। বাংলাদেশের কিউই স্পিন বোলিং কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টরিও থাকবেন সঙ্গে।
তামিম বললেন, ‘তিনি (ভেট্টরি) এর মধ্যেই কুইন্সটাউনে চলে গেছেন, আমাদের অপেক্ষায় আছেন। আমাদের কয়েকটি প্র্যাকটিস সেশন আছে সেখানে। একটি ম্যাচও খেলব আমরা। মুখিয়ে আছি সেসবের জন্য।’
‘আইসোলেশনের গত কয়েক দিনে ছোট গ্রুপে অনুশীলন করেছি আমরা। কাল থেকে দল হিসেবে অনুশীলন করব, সেদিকে তাকিয়ে আছি।’
