ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, আইসিসি র্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষে। টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষে ইংলিশরা। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে এমন সাফল্যের পেছনে অবদান আইপিএলের। ইংল্যান্ডের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট অ্যাশলি জাইলস নিজেই বলছেন এমন কথা।
আইপিএল বনাম জাতীয় দল নিয়ে ইংলিশ ক্রিকেট বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনায়। সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার জিওফ বয়কট জাতীয় দল বাদ দিয়ে আইপিএলে আগ্রহী খেলোয়াড়দের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে প্রয়োজনে বেতন কাটার পরামর্শ দিয়েছেন। আইপিএলে খেলার কারণে এবার ইংলিশ গ্রীষ্মে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টে নাও খেলতে পারেন ইংল্যান্ডের কয়েকজন ক্রিকেটার। কিন্তু জাইলস কথা বলছেন আইপিএলের পক্ষে। সাবেক ব্যাটসম্যান রবার্ট কি ও সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইনের সঙ্গে ‘দ্য হুসেইন অ্যান্ড কি ক্রিকেট শো’তে জাইলস তুলে ধরলেন তার যুক্তি, ‘ক্রিকেটারদের সঙ্গে আমার আলোচনায় তাদেরকে বলেছি সূচি নিয়ে সতর্কভাবে ভাবতে। কোনোটিই আমরা চাপিয়ে দিচ্ছি না। আইপিএল কোথাও চলে যাচ্ছে না। আইপিএল থেকে আমরা দারুণভাবে লাভবান হয়েছি। এই দল থেকে (ইংল্যান্ড) আমার মনে হয়, ১২ থেকে ১৬ জন আইপিএলে খেলছে। আগে আমাদের ক্রিকেটারদের জন্য আইপিএলের অভিজ্ঞতা নেওয়া কঠিন ছিল। সুযোগ পেত না। এখন আমাদের সব ক্রিকেটারের সেখানে চাহিদা এবং এটিই সম্ভবত বড় একটি কারণ সাদা বলের দুই সংস্করণেই আমরা এখন এক নম্বর।’
টেস্ট না খেলে আইপিএলে সুযোগ পাওয়া খেলোয়াড়দের সেখানে খেলার বিষয়ে একমত ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ডও। জাইলস বলেন, আইপিএলে খেলার বিষয়ে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আমরা একমত হয়েছিলাম। ওই টেস্ট দুটি (নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে) যোগ হয়েছে পরে, আগে সূচিতে ছিল না। আমরা (সিদ্ধান্ত থেকে) সরে আসিনি। আমি মনে করি, সরে আসা উচিতও নয়।’
আইপিএলে সফল খেলোয়াড়দের একজন জোফরা আর্চার। শুক্রবার তার দারুণ বোলিং পারফরম্যান্সেই ভারতকে প্রথম টি-২০তে ৮ উইকেটে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। চার ওভারে ২৩ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা আর্চার বলেছেন, দলের মধ্যে প্রতিযোগিতা আছে বলেই একজনের সেরা খেলাটা বেরিয়ে আসে। আর্চার বলেন, ‘দলের মধ্যে কঠিন প্রতিযোগিতা থাকলে নিজেকেই এগিয়ে আসতে হয়। এ রকম পরিস্থিতিতে আমার মধ্য থেকে সেরাটা বের হয়ে আসে।’ শুক্রবার ম্যাচে পাওয়ার প্লে’র ছয় ওভারের মধ্যে আর্চার করেন দুটি। নিজের প্রথম ওভারে আর্চার মেডেন উইকেট নেন। এরপর দেন ১১ রান। আর্চার বলেন, ‘পাওয়ার প্লে-তে উইকেট নেওয়ার বদলে ডট বল দিতেই আমি বেশি পছন্দ করি। উইকেট পেলে সেটা বাড়তি লাভ। যদি সামনে কোনো নতুন ব্যাটসম্যান থাকে বা বিপক্ষ দলে একাধিক ভালো ব্যাটসম্যান থাকে, তখন শর্ট বল করতে পছন্দ করি।’
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামেই আজ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে ভারত-ইংল্যান্ড।
