গান শুনতে কিংবা বিভিন্ন কাজের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা হেডফোন ব্যবহার করছি আমরা। এটি মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। যা যা মেনে চলা দরকার
দীর্ঘক্ষণ কানে হেডফোন গুঁজে রাখবেন না। হেডফোনের এয়ারপ্যাডের জন্য কানে বায়ু চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে কানে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
একই হেডফোন কয়েকজন ব্যবহার করবেন না। কারণ এয়ারপ্যাডবাহিত হয়ে কানের যেকোনো সংক্রমণ একজনের মাধ্যমে আরেকজন আক্রান্ত হতে পারেন।
হেডফোনে উচ্চশব্দে গান শুনবেন না। সর্বোচ্চ ৭০-৮০ ডেসিবেল শব্দে গান শুনতে পারেন। উচ্চশব্দ কানের পর্দায় গিয়ে খুব জোরে আঘাত হানে। এ ঘটনা অনেক দিন ধরে চলতে থাকলে স্থায়ীভাবে শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এতে কানের যেকোনো সংক্রমণের হারও বেড়ে যায়।
যেকোনো স্থানে হেডফোন ফেলে রাখবেন না। এতে এয়ারপ্যাড সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, যা পরে কানের সংক্রমণে গুরুতর ভূমিকা রাখে।
হেডফোনের ইয়ারপ্যাড কানের পর্দার যত কাছাকাছি থাকবে, তত বেশি ক্ষতিকর। শুধু কানের পর্দাই নয়, শ্রবণের সঙ্গে ভারসাম্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ আছে। কান শুধু আমাদের শ্রবণেন্দ্রিয়ই নয়, আমাদের শরীরের ভারসাম্যও ঠিক রাখে। কাজেই উচ্চশব্দ শুধু কানে নয় আমাদের শরীরের ভারসাম্যের ওপরেও প্রভাব রাখছে। হেডফোনে দীর্ঘদিন উচ্চশব্দে গান শোনার মাধ্যমে হুটহাট কোনো কারণ ছাড়াই শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখতে না পারার ঘটনাও ঘটতে পারে।
