নোয়াখালীর বসুরহাট মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলার আবেদনের প্রেক্ষিতে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসিকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় দ্রুত বিচার আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খানের স্ত্রী আরজুমান পারভীন।
মামলায় কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি করে ৯৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদ হাওলাদার জানান, মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও তার লোকজন গত ৮মার্চ সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করেন।
এ সময় হামলাকারীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক তৈরি করে। এ ঘটনায় মামলার বাদী আরজুমান পারভীন কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি।
এ কারণে মঙ্গলবার সকালে দ্রুত বিচার আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আরজুমান পারভীন। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক শোয়েব উদ্দিন খান দুপুরে মামলাটির শুনানি শেষে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসিকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এর আগে, সোমবার (১৫ মার্চ) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২নং আমলি আদালতে মির্জা কাদেরকে প্রধান আসামি করে ৯৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলার আবেদন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের স্ত্রী ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরজুমান আরা পারভীন।
পরে একই দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪নং আমলি আদালতের বিচারক এসএম মোসলেহ উদ্দিন মিজান বাদীর শুনানি শেষে বাদীকে আবেদনটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করার পরামর্শ দেন।
