মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশ গড়তে হলে আমাদের দরকার স্বাস্থ্যবান ও মেধাবী জাতি। তাই সবার জন্য পুষ্টি নিশ্চিত করতে বাড়াতে হবে ডিম, দুধ, মাছ, মাংসের কনজাম্পশন।
গতকাল রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘পোল্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০১৯’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রের ৯ জন, টেলিভিশনের ৬ জন, অনলাইন ও ম্যাগাজিনের ৪ জনসহ মোট ১৯ সংবাদ প্রতিবেদককে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পোলট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড চতুর্থবারের মতো আয়োজন করে বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি), সহযোগিতায় ছিল এসিআই এনিম্যাল হেল্থ। দেশ রূপান্তরের রিপোর্টার মামুন আব্দুল্লাহ সংবাদপত্রের ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ এবং অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আব্দুল জব্বার শিকদার; মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. কাজী শামস আফরোজ এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল জলিল। জুরি বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিভি টুডে’র এডিটর ইন চিফ মনজুরুল আহসান বুলবুল; দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম।
বিপিআইসিসি’র সভাপতি মসিউর বলেন, বিগত কয়েক বছরে পোলট্রি বিষয় নিয়ে বেশ কিছু ইন-ডেপথ রিপোর্ট সবার নজর কেড়েছে। সংবাদপত্র এমনকি টেলিভিশনেও সিরিজ রিপোর্ট প্রকাশিত হচ্ছে। মসিউর বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ফিড তৈরির কাঁচামালের দাম ৩০-৪০ শতাংশ বেড়েছে, ফ্রেইট খরচ দ্বিগুণ হয়েছে, বিগত প্রায় এক বছর ব্রয়লার খামার ও ব্রিডার ফার্মগুলোকে উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে মুরগি ও বাচ্চা বিক্রি করেছে। কভিডের ধকল কাটিয়ে উঠতে কয়েক বছর সময় লাগবে।
বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ও সচিবসহ জুরিবোর্ডের সদস্যরা। ‘দৈনিক সংবাদপত্র’ ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পান দৈনিক ভোরের কাগজের সিনিয়র রিপোর্টার মরিয়ম সেঁজুতি; দ্বিতীয় হন দৈনিক দেশ রূপান্তরের স্টাফ রিপোর্টার মামুন আব্দুল্লাহ; এবং তৃতীয় হন দি নিউজ টুডে’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাজহারুল ইসলাম মিচেল।
