সম্মিলিত পরিষদের ১১ দফা ইশতেহার ঘোষণা

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২১, ১২:২১ এএম

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএএ) নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে ‘সম্মিলিত পরিষদ’। গত সোমবার রাতে চট্টগ্রামের হোটেল আগ্রাবাদে প্যানেল পরিচিতি সভায় এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। এ সময় পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ওসমান গনি চৌধুরী বলেছেন, অ্যাসোসিয়েশনের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সম্মিলিত পরিষদ ঐকমত্যের ভিত্তিতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চায়। ব্যক্তিগত স্বার্থে অ্যাসোসিয়েশনকে ব্যবহার করবে না পরিষদ।

আগামী ৪ এপ্রিল হবে বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদ ও শাহেদ সরওয়ারের নেতৃত্বাধীন ‘শাহেদ সরওয়ার প্যানেল’ সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

সম্মিলিত পরিষদ ঘোষিত ১১ দফা ইশতেহারের মধ্যে রয়েছে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সবাইকে নিয়ে কাজ করা, সাব-কমিটিগুলোকে কার্যকর করার জন্য কনটেইনার, বাল্ক, ট্যাংকার ইত্যাদির জন্য অভিজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠন, প্রতি তিন মাস অন্তর সব সদস্যকে নিয়ে সভা করে সমস্যার সমাধানে কার্যকরী ভূমিকা রাখা, সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ইত্যাদি। সম্মিলিত পরিষদের প্যানেল লিডার সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ এ ইশতেহার ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ওসমান গনি চৌধুরী, প্রবীণ শিপিং ব্যক্তিত্ব আতাউল করিম চৌধুরী, মোহাম্মদী শিপিংয়ের পরিচালক কাজী এম ডি চৌধুরী নাইম, লিটমন্ড শিপিংয়ের পরিচালক মো. বেলায়েত হোসেন, রেডিয়েন্ট শিপিংয়ের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শফিকুল আলম জুয়েল প্রমুখ।

সম্মিলিত পরিষদের প্যানেল লিডার সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ বলেন, ১৭ বছর পর উৎসবমুখর পরিবেশে এ সংগঠনটির নির্বাচন হতে যাচ্ছে। নির্বাচন না হওয়ায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সভায় অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ রক্ষায় এবারের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সম্মিলিত পরিষদ সবসময় সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে এসেছে। আগামী দিনেও সদস্যদের পাশে সবসময় থাকার অঙ্গীকার করছি।

অনুষ্ঠানে মোহাম্মদী শিপিংয়ের পরিচালক কাজী এম ডি আবু নাইম বলেন, অতীতে আমরা দেখেছি বন্দর ও কাস্টমসসহ বিভিন্ন সংস্থায় অনেকে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যস্ত ছিল। এর বড় প্রমাণ হলো গভীর সাগরে পাইলটিং দায়িত্ব পাঁচ প্রতিষ্ঠান বাগিয়ে নেওয়া, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিজেদের জাহাজ ভেড়ানোর জন্য তদবির ইত্যাদি। এরা কারা তা সাধারণ সদস্যরা সবাই জানেন। সাধারণ সদস্যদের স্বার্থবিরোধী কর্মকা-ে যারা যুক্ত তাদের হঠাতে হলে সম্মিলিত পরিষদের বিকল্প নেই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত