জেমির নতুন পরীক্ষা বিল্ড-আপ ফুটবল

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম

সামর্থ্যে এগিয়ে থাকা প্রতিপক্ষ রুখতে ঘর সামলে কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর ফুটবলে এতদিন দলকে খেলিয়ে এসেছেন কোচ জেমি ডে। কিরগিজস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিপক্ষে তিনি শিষ্যদের অভ্যস্ত করতে চেয়েছেন বিল্ড-আপ ফুটবলে। খেলাটা নিচ থেকে গুছিয়ে আক্রমণে ওঠার এই কৌশলটা বিশ্ব ফুটবলে বেশ সমাদৃত। প্রতিটি পজিশনে কোয়ালিটি ফুটবলার থাকা, দলের সবার মধ্যে দারুণ বোঝাপড়া আর ব্যক্তিগত স্কিল থাকলেই এই ফুটবল মাঠ হয়ে উঠে সুন্দর ও আনন্দদায়ী। সমশক্তির নেপালের বিপক্ষে পরের ম্যাচেও দলকে জেমি এভাবেই খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রথম ম্যাচর মতো সে ম্যাচেও যদি দল নতুন কৌশলে ভালো খেলে তবে জুনের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও এই কৌশলে শিষ্যদের খেলাবেন বলে জানিয়েছেন জেমি ডে।

জেমির অধীনে লং বলে খেলাটা ভালোই রপ্ত করলেও শেষ পর্যন্ত শক্তির কাছে বারবারই পরাস্ত হতে দেখা গেছে বাংলাদেশকে। পরীক্ষামূলক এই সফরে তাই পরীক্ষার তালিকায় কৌশলটাও রেখেছেন কোচ, ‘রক্ষণে গুরুত্ব দিয়ে, লং বলে যে ফুটবল এতদিন খেলে এসেছি, তা কার্যকরী ছিল কোনো সন্দেহ নেই। তবে এই মুহূর্তে পেছন থেকে খেলা তৈরি করে বল পজেশনে রেখে আমরা কতটা কী করতে পারি, সেটাই দেখতে চাইছি এই ম্যাচগুলোতে। জুনে ভারত আফগানিস্তান ও ওমানের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচে সেরা প্রস্তুতি নিয়েই খেলতে চাই। আর যদি দেখি বারবার প্রতিপক্ষের কাছে বল হারাতে হয়, তাহলে পুরনো ফরম্যাশনেই ফিরে যাব।’

জেমি যে আজ কিরগিজস্তানের বিপক্ষে স্বাগতিক নেপালের সমর্থক বনে যাবেন তাতে সন্দেহ নেই। কারণ নেপালের জয়েই এই সফরে তার দলের একটি বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ তৈরি হবে। গবেষণাই যখন এই সফরের মূল উদ্দেশ্য সেই সুযোগটা তাই তিনি হাতছাড়া করতে চাইছেন না। আর সেটা নেপালের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পেলে তো কথাই নেই, ‘নেপাল কিরগিজদের হারালে বা ম্যাচটা ড্র হলে আমাদের ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে নেপালের বিপক্ষে ২৭ মার্চের ম্যাচটায় আমি খেলোয়াড়দের বেশি করে পরখ করার সুযোগ পাব। সে রকম কিছু না হলেও আমাদের খেলোয়াড়দের পরখ করে নেওয়ার ব্যাপারটা থাকবেই, পাশাপাশি চেষ্টা থাকতে হবে নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে যাওয়ার।’ প্রথম ম্যাচে যারা সুযোগ পায়নি কোচ তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগ করে দিতে চান, ‘প্রথম ম্যাচে তিনজনকে অভিষেক করিয়েছি। তাদের পারফরমেন্সে আমি খুশি। দ্বিতীয় ম্যাচে বাকিদেরও খেলার সুযোগ করে দিতে চাই। এরপর যদি দেখি কাকে রেখে কাকে নামাবোর মতো সমস্যা তৈরি হয়, তখন আমিই হব সবচেয়ে সুখি মানুষ।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত