খুলনায় আ.লীগের গলার কাঁটা বিদ্রোহী প্রার্থীরা

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২১, ০৬:০৬ এএম

খুলনার পাঁচ উপজেলার ৩৩টি ইউনিয়ন পরিষদের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। এই নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলেও আওয়ামী লীগের গলার কাঁটা হয়ে দেখা দিচ্ছে দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীরা। দলীয় মনোনয়ন পেলেই জয় হবেএমন ভাবনা থেকে কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। আর এসব নিয়ে ইতিমধ্যে দলীয় ঘোষিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, মানবন্ধন, স্মারকলিপি দেওয়াসহ নানা কাজে লিপ্ত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। তবে সাধারণ মানুষের ধারণা, বিএনপির ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন না করার ঘোষণায় আওয়ামী লীগে বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থী বলছেন, তারা নির্বাচনে অংশ নেবেন জনসেবা নিশ্চিত করার জন্য। বর্তমান চেয়ারম্যানদের ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি  বেড়ে যাওয়ায় তারা প্রার্থী হচ্ছেন।

জেলার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দেওয়া তথ্যমতে, আগামী ১১ এপ্রিল খুলনায় নয় উপজেলার মধ্যে প্রথম দফায় পাঁচটি উপজেলার ৩৩টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই ইউনিয়নগুলোয় আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রায় দেড় শ। তাদের মধ্যে বর্তমান চেয়ারম্যান, সাবেক চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং জেলা পরিষদের কয়েকজন সদস্যও রয়েছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হতে নির্বাচনের মাঠে জোরেশোরে গণসংযোগ করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রার্থী বলছেন, নির্বাচনের আগে দলীয় শৃঙ্খলার কারণ দেখিয়ে বহিষ্কারের কথা বলা হয়। কিন্তু নির্বাচনে জয়লাভ করলে আবার দলে ফিরিয়ে এনে পদ দেওয়া হয়। এর আগে উপজেলাগুলো নির্বাচনে এর রকম হয়েছে। অনেক বিদ্রোহী প্রার্থী জয় পাওয়ার তাদের জেলা কমিটিতে পদ-পদবি দেওয়া হয়েছে।

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ বলেন, গতবার যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন, এবার তাদের কাউকেই দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। এবারের নির্বাচনেও যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত