বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসের নবম আসরের মশাল জ্বলবে আজ। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সকাল ১১টায় মশাল প্রজ্বালন করবেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি, সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়া থেকে মশাল আসবে ঢাকার বিওএর কার্যালয়ে। সেখান থেকে মশাল যাবে বাংলাদেশ গেমসের প্রধান ভেন্যু বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। এর মাঝে ১০ ভাগে বিভক্ত হয়ে মশাল বহন করবেন ২০ ক্রীড়াবিদ। টুঙ্গিপাড়া থেকে প্রজ¦লিত মশাল বয়ে আনবেন সাবেক ফুটবলার ইলিয়াস হোসেন ও সাবেক ভলিবল খেলোয়াড় জেসমিন খান পপি। দুজনের হাত থেকে গোপালগঞ্জের ঘোনাপাড়ায় মশাল গ্রহণ করবেন হ্যান্ডবল খেলোয়াড় খায়রুজ্জামান ও সাঁতারু শাহজাহান আলী রনি। কিছুদূর অতিক্রম করার পর গোপালগঞ্জের পুলিশ লাইন মোড়ে মশাল হস্তান্তর হবে উশু খেলোয়াড় মেসবাহ উদ্দিন ও তায়কোয়ানদো খেলোয়াড় মিজানুর রহমানের হাতে। সেখান থেকে মশাল নিয়ে তারা ভাটিয়াপাড়া পর্যন্ত যাবেন। এরপর মশাল তুলে দেওয়া হবে আরচার ইমদাদুল হক মিলন ও উশু খেলোয়াড় ইতি ইসলামের হাতে।
এভাবে হাতে হাতে ঘুরতে ঘুরতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে মশাল গ্রহণ করবেন জাতীয় হ্যান্ডবল দলের অধিনায়ক ডালিয়া আক্তার এবং বাস্কেটবল খেলোয়াড় মিথুন সরকার। তারা মশাল নিয়ে যাবেন ফরিদপুরের ভাঙ্গায় । জাতীয় নারী কাবাডি দলের সাবেক অধিনায়ক শাহনাজ পারভীন মালেকা ও ২০১০ এসএ গেমসে সোনাজয়ী কারাতেকা জ উ প্রু তাদের হাত থেকে মশাল নিয়ে কাঁঠালবাড়ি ঘাট পর্যন্ত পৌঁছে দেবেন। সেটা নিয়ে অ্যাথলেট ফরহাদ জেসমিন লিটি ও টিটি খেলোয়াড় মাহবুব বিল্লাহ নিয়ে যাবেন মাওয়া ঘাটে। সেখানে মশাল নেওয়ার জন্য থাকবেন ফুটবলার শেখ মো. আসলাম ও সাবেক ক্রিকেটার গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। তারা মশাল নিয়ে আসবেন বিওএ ভাবনে। তাদের কাছ থেকে বিওএ ভবনে মশাল গ্রহণ করবেন অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা। তিনি মশাল তুলে দেবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের হাতে। প্রতিমন্ত্রী মশাল হস্তান্তর করবেন শুটার শারমিন আক্তার রত্না ও বক্সার জুয়েল আহমেদ জনির হাতে। এ দু’জন বিওএ ভবন থেকে মশাল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে নিয়ে যাবেন। কাল গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের দিনে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে স্থাপিত মশাল প্রজ্বালন করবেন গলফার সিদ্দিকুর রহমান ও সাঁতারু মাহফুজা খাতুন শিলা।
