অ্যান্টিগা টেস্ট জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার সামনে ৩৭৭ রানের এক অসম্ভব টার্গেট দিয়েছিল উইন্ডিজ। অসম্ভবের পেছনে ছোটেনি সফরকারীরা। দিমুথ করুনারতেœ আর লাহিরু থিরিমানে ধীরে-সুস্থে ব্যাট করে ড্র করে নেন স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামের দ্বিতীয় টেস্ট। ২ উইকেটে ১৯৩ রান ছিল স্কোর। নর্থ সাউন্ডে আগের টেস্টটিও ড্র হওয়ায় সিরিজটাই অমীমাংসিত থেকে গেল। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৬৮ মাস পর কোনো টেস্ট সিরিজ ড্র হতে দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। সর্বশেষ ড্র সিরিজ ছিল ২০১৫ সালে। সে বছরের জুলাই-আগস্টে ড্র হয় বাংলাদেশের সঙ্গে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার দুই টেস্টের সিরিজ। অবশ্য তাতে দায় ছিল বৃষ্টির।
বৃষ্টি বাগড়া দিয়েছে অ্যান্টিগার দ্বিতীয় টেস্টেও। তৃতীয় দিনে খেলা হয়েছিল অর্ধেকের মতো। এর প্রভাব পড়েছে খেলার ফলাফলে। উইন্ডিজ চতুর্থ দিন ৪ উইকেটে ২৮০ রান করে যখন দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে, ৩৭৭ রান তুলে জিততে শ্রীলঙ্কার সামনে ছিল ১০০ ওভার। শেষ দিনে করতে হতো তাদের ৩৪৮ রান। সে পথে হাঁটেনি শ্রীলঙ্কা। লাঞ্চ পর্যন্ত করুনারতেœ-থিরিমানে উদ্বোধনী জুটি ২৯ থেকে রান এগোয় ৯৩ পর্যন্ত। ১০১ রানের জুটি ভাঙে ৩৯ রান করা থিরিমানেকে আলজারি জোসেফ আউট করলে। সিরিজে প্রথম ফিফটি করা অধিনায়ক করুনারতেœ ৭৫ রানের মাথায় মেয়ার্সের বলে এলবিডব্লিউ হন দলীয় ১৪৬ রানে। ওশাদা ফার্নান্দো ১১৯ বলে অপরাজিত ছিলেন ৬৬ রানে। ম্যাচসেরা হয়েছেন উইন্ডিজ দলনায়ক ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট। তিনি বলেছেন, ‘ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়ে আমি খুশি। একজন অধিনায়ক সব সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে চায়। আমি নিজের সহজাত ক্রিকেট খেলতে চেয়েছিলাম।’ দুই টেস্টে লম্বা স্পেলে বল করে ১১ উইকেটশিকারি লঙ্কান পেসার সুরঙ্গা লাকমাল হন সিরিজসেরা।
দেশে ফিরে বাংলাদেশের সঙ্গে দুই টেস্টের সিরিজ খেলার কথা রয়েছে শ্রীলঙ্কার।
