প্রথম ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা যারা নিয়েছেন তাদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পকিবার। দ্বিতীয় ডোজের জন্য খুদেবার্তা না গেলেও টিকা পাবেন গ্রাহকরা। গতকাল মঙ্গলবার দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়, প্রথম ডোজের টিকা নিয়ে থাকলে আট সপ্তাহ পর মোবাইলে ফোনে এসএমএস পেলে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে টিকা কার্ডসহ আসতে হবে। কোনো কারণে মোবাইলে এসএমএস না পেলেও আট সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার পর নির্দিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহণ করা যাবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, যারা ২৭ থেকে ২৮ জানুয়ারি ও ৭ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন, তারা কোনো এসএমএস না পেলেও নির্ধারিত টিকা কেন্দ্রে টিকার কার্ডসহ আগামীকাল ৮ এপ্রিল দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রথম ডোজ টিকা চালু থাকবে। প্রথম ডোজ টিকা নিতে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করে নির্ধারিত দিনে টিকা নিতে পারবেন।
সীমিত আকারে টিকাদান কার্যক্রম চলছে : সরকার দ্বিতীয় ডোজের টিকার ঘোষণা দিলেও এখন সীমিত আকারে প্রথম ডোজের টিকাদান কার্যক্রম চলছে। গণটিকার শুরুর পর থেকে গতকাল সবচেয়ে কম মানুষ টিকা নিয়েছেন। এদিন টিকা নিয়েছেন ১৬ হাজার ১৮১ জন। দেশে এখন পর্যন্ত ৬৯ লাখ ৬০ হাজার ৬২৫ জন টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন। এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন ৫৫ লাখ ৫৫ হাজার ৬৭৫ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৩৪ লাখ ৪৫ হাজার ৫১৩ ও নারী ২১ লাখ ১০ হাজার ৩৬৪ জন।
এখন পর্যন্ত টিকাগ্রহীতাদের মধ্যে সামান্য পাশর্^প্রতিক্রিয়ার তথ্য জানিয়েছেন ৯৩৯ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া যায়নি । গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক এমআইএস ও লাইন ডিরেক্টর এইচআইএস অ্যান্ড ই-হেলথ অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মহানগরের ৪৭টি হাসপাতালে ২ হাজার ৮৮৫ জন টিকা নিয়েছেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৮০৭ জন পুরুষ ও ১ হাজার ৭৮ জন নারী। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ৫ হাজার ৫৩২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ হাজার ৯৯৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ হাজার ২৮৫ জন, রাজশাহীতে ১ হাজার ২২৭ জন, রংপুর বিভাগে ১ হাজার ৮৬৯ জন, খুলনা বিভাগে ২ হাজার ৯১ জন, বরিশাল বিভাগে ২৮৮ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ হাজার ৮৯৫ জন টিকা নেন।
