দেড় লাখ টন সেদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০২১, ১২:৪১ এএম

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় আরও দেড় লাখ টন সেদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভারতের দুটি প্রতিষ্ঠান এই চাল সরবরাহ করবে।  সভায় মোট ১ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি।

গতকাল বুধবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল সভায় ক্রয় প্রস্তাবগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে জিটুজি পদ্ধতিতে ভারতের ন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফার্মার্স প্রকিউরমেন্ট প্রসেসিং অ্যান্ড রিটেইলিং কো-অপারেটিভস (এনএসিওএফ) থেকে ১ লাখ টন নন-বাসমতি সেদ্ধ চাল সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক ভারতের প্রতিষ্ঠান মেসার্স পি.কে এগ্রি লিংক প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি  সেদ্ধ চাল আমদানির একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতি টন চালের দাম পড়বে ৪১১.৯৩ মার্কিন ডলার। এতে মোট ব্যয় হবে ১৭৪ কোটি ৬৫ লাখ ৮৩ হাজার ২০০ টাকা।

 সভা শেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, ক্রয়সংক্রান্ত কমিটিতে উপস্থাপিত প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ৪টি, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের ১টি, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ১টি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি এবং সেতু বিভাগের ১টি প্রস্তাব ছিল। এর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের একটি ক্রয় প্রস্তাবে কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন গণপূর্ত অধিদপ্তর অপর একটি প্রস্তাবে পুনঃদরপত্রের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ অনুমোদিত ৬টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ১,৫৬৬ কোটি ৭১ লাখ ৭৯ হাজার ১৬০ টাকা।

সভা শেষে অনুমোদিত প্রস্তাবগুলো বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহিদা আক্তার। তিনি বলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কর্তৃক ‘গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে পণ্য পরিবহনের উৎসমুখে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্পের একটি প্যাকেজের পূর্ত কাজের একটি ক্রয় প্রস্তাবে কমিটি অনুমোদন দেয়নি।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কর্তৃক ‘শরীয়তপুর (মনোহর বাজার)-ইব্রাহিমপুর ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর-ডব্লিউপি-২ এর পূর্তকাজের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। প্রকল্পে ব্যয় হবে ১০৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কর্তৃক ‘শরীয়তপুর (মনোহর বাজার)-ইব্রাহিমপুর ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্পের প্যাকেজ নং-ডব্লিউপি-০৩ এর পূর্তকাজ সম্পন্ন হবে। প্রকল্পে ব্যয় হবে ১০৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কর্তৃক ‘আশুগঞ্জ নদীবন্দর-সরাইল-ধরখার-আখাউড়া স্থলবন্দর মহাসড়ককে চার লেনে জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর ডব্লিউপি-০৩ এর পূর্তকাজে ব্যয় হবে ৭৮৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত