‘লকডাউন’ বাস্তবায়ন করতে নানা পরিকল্পনা নিয়েছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। পাশাপাশি নিরাপত্তার ছকও এঁকেছে পুলিশ সদর দপ্তর। জরুরি প্রয়োজনের জন্য মুভমেন্ট পাস নেওয়ার জন্য একটি অ্যাপস চালু করেছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক গতকাল মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে এ অ্যাপসের উদ্বোধন করেছেন। পুলিশের চালু করা মুভমেন্ট পাস সংগ্রহ নিয়ে নানা জটিলতা শুরু হয়েছে। শুরুতেই ওয়েবসাইটটি হ্যাং হয়ে যাওয়ায় রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে বিপত্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। কীভাবে পাস সংগ্রহ করা হবে, কীভাবে পাওয়া যাবে, সবার হাতের নাগালে প্রিন্ট সুবিধা থাকবে কি না তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। অনেকে অ্যাপসে ঢুকতে পারছেন না বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনায় সরব অনেকে। অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেষ্টা করেও ওয়েবসাইটে ঢুকতে পারেননি। ডাউনলোড করতে পারেননি মোবাইল অ্যাপস। সমালোচনা হলেও পাস পেতে এক দিনেই (রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত) ছয় লাখ মানুষ আবেদনের জন্য চেষ্টা করেন। তার মধ্যে ৬০ হাজার রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। পাস দেওয়া হয়েছে ৩০ হাজার জনকে। প্রতি মিনিটে ১৫ হাজার আবেদন জমা পড়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তারা।
এদিকে লকডাউনে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ঘর থেকে বের হতে না দিতে বদ্ধপরিকর পুলিশ। সবজির ট্রাক, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও জরুরি পরিবহন ছাড়া আন্তঃজেলায় কোনো গাড়ি চলাচল করবে না। প্রতিটি জেলার প্রবেশপথগুলোতে পুলিশের চেকপোস্ট থাকবে। পণ্য পরিবহনের গাড়িতে কোনো যাত্রী পরিবহন করলে গুনতে হবে জরিমানা। পুলিশের সঙঙ্গ মাঠে থাকবে ভ্রাম্যমাণ আদালত। লকডাউন কার্যকরে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে গতকাল বিকেলে আইজিপি জুম মিটিং করেছেন। সব থানার ওসি থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘মুভমেন্ট পাস নিয়ে কোনো ধরনের জটিলতা হবে না বলে আশা করছি। রাস্তায় বের হলে অবশ্যই মুভমেন্ট পাস নিতে হবে। রাস্তা বা মোডে কোনো ধরনের আড্ডা দেওয়া যাবে না। করোনা পরিস্থিতিতে সবাইকে সচেতনতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরা কোনো প্রাণহানি চাই না। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের প্রধান উপায় হচ্ছে ব্যক্তিগত সচেতনতা। আমাদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। তাছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতেই হবে।’
তথ্যপ্রযুক্তিবিদ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিওবিটি) সহকারী অধ্যাপক তানভীর জোহা খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘কোনো পণ্য উদ্বোধনের আগে তার প্রযুক্তিগত সমীক্ষা (টেকনিক্যাল স্টাডি) যথাযথ না হলে সেটা সমস্যা তৈরি করতে পারে। কোনো অ্যাপসে মিনিটে ১০ থেকে ১৫ হাজার রিকুয়েস্ট এলে সেটা হ্যাং করবেই। আমরা দেখেছি মিনিটে পাঁচ হাজারের বেশি রিকুয়েস্ট এলেই অ্যাপ হ্যাং করে। ঢাকা মহানগরীর প্রায় দুই কোটি বাসিন্দা। বিশাল এ জনগোষ্ঠীর শহরে অধিকাংশ মানুষের হাতে হাতে অ্যান্ড্রয়েড ফোন আছে। তারা এ অ্যাপসে সকাল-বিকেল পাস সংগ্রহের চেষ্টা করলে এটি হ্যাং করাটাই স্বাভাবিক।’
পুলিশ সদর দপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে জানান, সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের দেওয়া লকডাউন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে। গতকাল বিকেলে আইজিপি লকডাউন বাস্তবায়নে করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই সঙ্গে গত সপ্তাহে হেফাজতের নাশকতা প্রতিরোধে আইজিপির দেওয়া নির্দেশনা ফলোআপও নিয়েছেন। তারা আরও জানান, গত সপ্তাহে লকডাউন ডাকা হলেও হেলাফেলাভাবে পালন করা হয়েছে। পুলিশ কঠোরও ছিল না। কয়েকটি জায়গায় কঠোর হওয়ায় পুলিশের ওপর আক্রমণ হয়েছে। ৫ এপ্রিল ফরিদপুরের সালথা উপজেলা ফকুরাজারে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে দোকানপাট বন্ধ করতে যায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করে স্থানীয় জনতা। এলাকাবাসী জড়ো হয়ে সালথা থানা ও উপজেলা চত্বরে হামলা চালায়। সড়কে আগুন জ¦ালিয়ে বিক্ষোভে পাশাপাশি কয়েকটি গাড়ি পোড়ানো হয়।
শরীয়তপুর জেলার পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন, জেলার প্রতিটি প্রবেশপথে আমাদের চেকপোস্ট থাকবে। আমরা জেলায় প্রবেশ এবং জেলা থেকে বের হওয়া কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করব। সচেতনতায় থানায় থানায় মাইকিং করা হচ্ছে। অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবার যানবাহন খোলা থাকলেও সেটা ব্যবহার করে যেন কেউ ঘোরাঘুরি করতে না পারে সেই ব্যাপারে কঠোর থাকবে পুলিশ। জরুরি পরিবহনে যাত্রী পরিবহন করলে জরিমানা করা হবে। পুলিশের সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতও থাকবে।
যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘লকডাউন বাস্তবায়ন ও হেফাজতের নাকশকতা প্রতিরোধে পুলিশকে কঠোর হওয়ার পাশাপাশি কৌশলী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ওসি থেকে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা লকডাউন বাস্তবায়নে প্রভাবশালীদের সঙ্গে কথা বলছেন। যাতে করে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে গেলে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি না হয়। ইতিমধ্যে স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তারা কথা বলেছেন। এছাড়া জেলার প্রতিটি প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসানো হবে। প্যাট্রল গাড়ি বাড়ানো হবে। কড়াকড়ি লকডাউনের সময় কোনো নাগরিক সমস্যায় পড়লে পুলিশের টিম সহযোগিতা করবে। অসুস্থদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার পাশাপাশি পুলিশ নিম্ন আয়ের কিছু মানুষের খাবারের ব্যবস্থাও করবে।’
ডিএমপির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ বিনোদনকেন্দ্র ও পার্কে যেন কেউ জড়ো হতে না পারে সেটা নিশ্চিত করবে পুলিশ। ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশপথে পুলিশ তল্লাশি চালাবে। ঢাকার ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হবে। সড়কে চলাফেরা করা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ। কারণ সন্তোষজনক না হলে জরিমানা করা হবে কিংবা পুলিশ তাদের বাসায় পাঠাবে। গত লকডাউনে যারা অকারণে যানবাহন নিয়ে ঘুরাঘুরি করেছেন, তাদের জন্য রয়েছে সতর্কবার্তা। লকডাউনে তাদের ট্রাফিক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দেওয়া হবে। বাস্তবায়নে পুলিশ আগের চেয়ে আরও বেশি সক্রিয় ও কঠোর থাকবে।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বলেন, ‘করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রাজধানী। সরকারি প্রজ্ঞাপনে লকডাউনে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আমরা তা বাস্তবায়ন করব। লকডাউনকে ঢিলেঢালাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে লকডাউন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করার পাশাপাশি নগরবাসীর সমস্যাগুলোও মানবিক দৃষ্টিতে দেখব।’
রাজধানীর নয়া পল্টনের বাসিন্দা আরিফ হোসেন জানান, তিনি দুপুর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চেষ্টা করেও অ্যাপস ডাউন লোড ও ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারেননি। এই এলাকার সাব্বির বলেন, ‘পাস নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছি। বাসায় প্রিন্টার নেই। প্রিন্ট করব কী করে।’
পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, মুভমেন্ট পাস হওয়ার পর আজ বুধবার থেকে পরের সাত দিন একান্ত প্রয়োজনে বাইরে যেতে পারবেন যেকোনো ব্যক্তি। এই পাসধারী ব্যক্তি বাধামুক্তভাবে সড়কে চলাচল করতে পারবেন। পড়তে হবে না জেরার মুখে। দেশের যেকোনো নাগরিক ওই অ্যাপসের মাধ্যমে কয়েকটি তথ্য সরবরাহ করে খুব সহজেই এই ‘পাস’ সংগ্রহ করতে পারবেন। এক দিনের জন্য অনুমতি পাওয়া এ পাসের মেয়াদ থাকবে মাত্র তিন ঘণ্টা। এ সময়ের মাঝেই আপনাকে বাড়ি ফিরে আসতে হবে। উদ্বোধনের পর থেকে এ পাস আবেদনের জন্য হিড়িক পড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। একসঙ্গে এত পাস আবেদনের চাপে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট সার্ভার। মাঝেমধ্যে মুভমেন্ট পাসের লিংকে প্রবেশ করতে পারছেন না আবেদনকারীরা। একসঙ্গে এত আবেদনের কারণে কিছুটা সেবা বিঘিœত হচ্ছে। এই ত্রুটির সমাধানে কাজ করা হচ্ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক সোহেল রানা বলেন, ‘সার্ভার ওপেনের পর শুরু থেকেই চাপ আছে। ঘণ্টায় ঘণ্টায় আবেদনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তরের ওয়েবসাইট এবং “মুভমেন্ট পাস” অ্যাপস থেকে আবেদন করা যাবে এ পাসের জন্য। অ্যাপসের পাশাপাশি যঃঃঢ়ং://সড়াবসবহঃঢ়ধংং.ঢ়ড়ষরপব.মড়া.নফ/ ওয়েবসাইটে গিয়েও আবেদন করা যাবে। শুরুতে একটি সক্রিয় মোবাইল ফোন নম্বর দিতে হবে। আবেদনকারী কোথা থেকে কোথায় যাবেন, তা জানতে চাওয়া হবে। সেসব তথ্য ধাপে ধাপে দিতে হবে। এরপর আবেদনকারীর একটি ছবি আপলোড করে ফরমটি জমা দিতে হবে। জমা দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই চলে আসবে ই-পাস। ওয়েবসাইট থেকেই পাসটি ডাউনলোড করা যাবে। চলাচলের সময় কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারকে এ পাস প্রদর্শন করতে হবে।’
গতকাল রাজারবাগে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘এটা অতি প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে। এক ফোন নম্বর ও একটি গাড়ির নম্বর প্লেট দিয়ে একবার আবেদন করা যাবে। তবে প্রথমে কতজন এই পাস পাবে এ সংখ্যা নির্ধারণ করা নেই। যে কেউ গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনে পাস নিতে পারবে। কেউ যদি মুভমেন্ট পাস নিতে না চায় তাহলে আমরা তাকে জোর করব না, এটা জোর করার বিষয় নয়। আমরা কাউকে বাধ্য করছি না। তবে আমরা নাগরিকদের সহযোগিতা করছি।’
প্রান্তিক মানুষের কী হবে, যাদের ইন্টারনেট ব্যবস্থা নেই, স্মার্টফোন নেই, তারা কীভাবে এ পাস সংগ্রহ করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দেশে প্রায় সাড়ে সাত কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। যদি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কেউ না পারে তাহলে প্রতিবেশীর সাহায্য নিতে পারে। তাছাড়া আমরা তো গণমাধ্যমের কাছ থেকে প্রতিদিনের ফিডব্যাক পাব।’ লকডাউন পালনে সবার সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আগামীকাল (আজ) রাস্তাঘাট এবং বাইরে বিনা প্রয়োজনে কাউকে দেখতে চাই না। আমরা চাপ প্রয়োগের চেয়ে নিজেদের উদ্যোগেই এ দায়িত্ব পালন করব। এসব না মানলে পুরো বাংলাদেশকে আইসোলেশনে নিতে হবে।’
আইজিপি বলেন, ‘গত বছর পুলিশ করোনা পরিস্থিতি যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে, এবারও করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ সেভাবেই নিয়ন্ত্রণ করবে। তবে অবশ্যই অপ্রয়োজনীয় চলাফেরা বন্ধ করতে হবে। গত বছর লাখ লাখ মানুষ ঢাকা ছেড়েছে। এবারও গত দুদিন ধরে ঢাকা ছাড়ছে, এগুলো ঠিক নয়। এগুলো নৈতিকভাবে খুবই অন্যায় কাজ। বিভিন্নভাবে যারা যেখানে পৌঁছেছেন, তারা সেখানেই থাকবেন। সীমিত কারণে বের হওয়া লাগতে পারে। তারা মুভমেন্ট পাস নেবেন। রাস্তাঘাটে কোনো আড্ডা দেবেন না। বিভিন্ন সড়কে, মোড়ে আড্ডা দেবেন না। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে তরুণরা কেউ বের হবেন না। বের হতে হলে অবশ্যই দ্রুত ঘরে ফিরতে হবে।’
গাড়ি বের করার বিষয়েও নিরুৎসাহী করে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই মুভমেন্ট পাস নেবেন।’ করোনা পরিস্থিতিতে সবাইকে সচেতনতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে আইজিপি বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরা কোনো প্রাণহানি চাই না। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের প্রধান উপায় হচ্ছে ব্যক্তিগত সচেতনতা। আমাদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। তাছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়ার বিধি আমাদের মনোযোগ ও আন্তরিকতা দিয়ে মানতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘মুভমেন্ট পাস নিতেই হবে এমন নয়। আমরা কাউকে বাধ্য করছি না। এখানে আইনগত কোনো বিষয় নেই।’ তবে পাস ছাড়া কেউ বের হলে তিনি পুলিশের জেরার মুখে পড়বেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন আইজিপি। গণমাধ্যমকর্মীদের এই পাস লাগবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
