এই দিনে

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২১, ১১:৪৬ পিএম

১৮৭৯ সালের ১৪ মার্চ জার্মানির ভুইটেমবের্গের উলম-এর এক ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন। পরিবারের সঙ্গে তার শৈশব কাটে এবং শিক্ষাজীবন শুরু হয় মিউনিখে। পরে ইতালি ও সুইজারল্যান্ডে স্কুলজীবন কাটান তিনি। ১৮৯৬ সালে জুরিখের সুইস ফেডারেল পলিটেকনিক স্কুলে ভর্তি হয়ে পদার্থবিদ্যা ও গণিতে শিক্ষকতার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন তিনি।  ১৯০১ সালে এই ডিপ্লোমা অর্জনের বছরই সুইস নাগরিকত্ব পান আইনস্টাইন। কিছুদিন পর সুইস পেটেন্ট অফিসে ‘কারিগরি সহকারীর’ চাকরিতে যোগদান করেন। সেখানে থেকেই ১৯০৫ সালে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। তার অবিস্মরণীয় গবেষণা কর্মগুলোর অনেকটাই এখানে চাকরিতে থাকাকালেই করেছিলেন আইনস্টাইন। ১৯০৮ সালে বার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় যোগ দেন এবং ১৯০৯ সালেই জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান তিনি। ১৯১১ সালে প্রাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে তাত্তিক পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক পদে যোগ দিয়ে পরের বছরই একই পদে আবার জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে আসেন আইনস্টাইন। ১৯১৪ সালে কাইজার ভিলহেম ফিজিক্যাল ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিযুক্ত হন এবং ওই বছরই জার্মানির নাগরিকত্ব লাভ করেন আইনস্টাইন। রাজনৈতিক কারণে নিজের নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করে নেওয়ার আগে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত তিনি বার্লিনেই ছিলেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়ে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাত্তিক পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক নিযুক্ত হন এবং ১৯৪০ সালে সেখানকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন তার বিখ্যাত ‘থিওরি অব রিলেটিভিটি’-এর তত্ব প্রকাশ করেন। তিনি ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাত্তি¡ক পদার্থবিজ্ঞানে বিশেষ অবদান এবং বিশেষত ‘আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া সম্পর্কিত গবেষণা’র জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। আইনস্টাইন পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রচুর গবেষণা করেছেন এবং নতুন উদ্ভাবন ও আবিষ্কারে তার অবদান বিপুল। ১৯৯৯ সালে টাইম সাময়িকী আইনস্টাইনকে ‘শতাব্দীর সেরা ব্যক্তি’ ঘোষণা করে। অ১৯০৩ সাল মিলিভা মারিককে বিয়ে করে এক ছেলে ও দুই মেয়ের বাবা হন আইনস্টাইন। ১৯১৯ সালে এই বিয়ে ভেঙে গেলে চাচাতো বোন এলসা লুয়েনথালকে বিয়ে করেন। ১৯৩৬ সালে মারা যান এলসা। ১৯৫৫ সালের ১৮ এপ্রিল নিউ জার্সির প্রিন্সটনে মৃত্যুবরণ করেন আইনস্টাইন।   

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত