প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছিলেন না সাকিব আল হাসান। কলকাতা নাইট রাইডার্সের চতুর্থ ম্যাচেই তাই একাদশে জায়গা হারাতে হলো বাংলাদেশি অলরাউন্ডারকে।
বুধবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে সাকিবকে বাইরে রেখে একাদশ সাজিয়েছে কলকাতা।
প্রথম তিন ম্যাচেই সাকিব ছিলেন কলকাতার একাদশে। এদিন তার জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন সুনিল নারিন। আসরে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামলেন এই ক্যারিবিয়ান।
প্রথম তিন ম্যাচে কলকাতা জিতেছে মাত্র একটিতে। এই তিন ম্যাচে সাকিব ব্যাট হাতে ৯৭.৪৩ স্ট্রাইক রেটে করেন মাত্র ৩৮ রান। বাঁহাতি স্পিনে ওভারপ্রতি ৮.১০ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সাকিব শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ বলে করেন ৩ রান। পরে বোলিংয়ে প্রথম বলেই নেন উইকেট। ৪ ওভারে ৩৪ রানে তার শিকার ছিল একটি। জয় তুলে নেয় তার দল।
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বেশ ভালো বোলিং করেন সাকিব। ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। তবে হতাশ করেন ব্যাটিংয়ে। পাঁচ নম্বরে সুযোগ পেয়ে বাজে শটে উইকেট বিলিয়ে আসেন। ৯ বলে ৯ রান করেন। ম্যাচও হারে কলকাতা।
তৃতীয় ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে সাকিব ২ ওভারে ২৪ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন। পরে ২৫ বলে একটি করে ছক্কা ও চারে করেন ২৬ রান। দুইশ ছাড়ানো লক্ষ্য তাড়ায় বড় ব্যবধানে হারে কলকাতা।
স্কোয়াডে সুনিল নারিন ছিলেন বলেই এমন পারফরম্যান্সে সাকিবের ওপর চাপ বাড়ছিল। নারিন আইপিএলসহ ফ্রাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে প্রতিষ্ঠিত তারকা। বোলিংয়ের সঙ্গে মারকুটে ব্যাটিংও করেন। এমনকি টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে তাকে ওপেন করিয়েও সফল কলকাতাসহ বিভিন্ন দল।
তবে আইপিএলের গত আসরে প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি নারিন। এবার সাকিব দলে থাকায় দুজনের মধ্যে তাই একটা দ্বৈরথও তৈরি হয়েছে বলা যায়। এখন ব্যাটে-বলে নারিন প্রত্যাশা মেটালে সাকিবের পরবর্তীতে সুযোগ পাওয়া কঠিনই হয়ে যাবে বলা যায়।
