করোনা মহামারীর এই সময়ে ৯০ শতাংশ দেশে এখনো প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দ্বিতীয় জরিপে দেখা গেছে, গত বছরের গ্রীষ্মকালে পরিচালিত প্রথম জরিপের তুলনায় পরিস্থিতি খুব বেশি বদলায়নি। জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন তথ্যই দেওয়া হয়েছে।
তবে পরিস্থিতি একেবারে হতাশাব্যঞ্জকও নয়। কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। ২০২০ সালে পরিচালিত জরিপে দেখা গিয়েছিল, গড়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার অর্ধেক ব্যাহত হয়েছে। আর এ বছরের প্রথম তিন মাসে এক-তৃতীয়াংশ স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হয়েছে। অনেক দেশই এখন স্বাস্থ্যসেবার বাধাগুলো কমিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব দেশে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসার প্রয়োজন; এমন রোগীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে এবং তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কথা জানিয়েছে অর্ধেকের বেশি দেশ। এসব দেশে রোগীদের বিকল্প ব্যবস্থায় চিকিৎসাও দেওয়া হচ্ছে। ঘরে থেকে চিকিৎসাসেবা নেওয়া, চিকিৎসার জন্য কয়েক মাসব্যাপী ব্যবস্থাপত্র ও টেলিমেডিসিনের ব্যবহার বাড়ানোর কথা জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বলেন, ‘এটা উৎসাহব্যঞ্জক যে বিভিন্ন দেশ জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ইস্যুতে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। তবে এই ইস্যুতে আরও অনেক কিছু করার রয়েছে।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপে স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। জরিপ বলছে, যেসব দেশ মহামারীতে খারাপ পরিস্থিতি শুরুর আগে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, সেসব দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
