খুন হওয়া কালচারাল অফিসারের শিশু কন্যাকে মামার কাছে হস্তান্তর

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:২০ পিএম

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালের কেবিনে খুন হওয়া জেলা কালচারাল কর্মকর্তা খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামের শিশু কন্যাকে বৈধ অভিভাবকের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

শিশুটির মামা খন্দকার মো. আরশাদুল আবিদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তার কাছে শিশুটিকে হস্তান্তর করা হয়।

রবিবার দুপুরে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক, প্রবেশন কর্মকর্তা ও কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উপস্থিত থেকে শিশুটি হস্তান্তর করেন।

গত ২২ মার্চ ১০টায় সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একটি মেয়ে শিশুর জন্ম দেন রেদওয়ানা ইসলাম। ২৭ মার্চ দুপুরে শিশুটির পরিচর্যাকারী বুকের দুধ খাওয়ানোর পর শিশু ওয়ার্ডে রাখতে যান। ফিরে এসে কেবিনের দরজা বন্ধ থাকায় অতিরিক্ত চাবি দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে রেদওয়ানার মরদেহ দেখতে পান।

শিশুটিকে বৈধ অভিভাবকের কাছে বুঝিয়ে দিতে গত ১ এপ্রিল টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবুদ্দিন খানকে আহ্বায়ক ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক (ডিডি) মো. শাহ আলমকে সদস্যসচিব করে পাঁচ সদস্যের উপকমিটি গঠন করা হয়।

উপকমিটির কাছে খন্দকার আরশাদুল আবিদ শিশুটিকে পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। শিশুটির বাবার পরিবার থেকে শিশুটিকে নেওয়ার জন্য আবেদন না করায় রবিবার মামার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে, কালচারাল কর্মকর্তা খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম খুন হওয়ার পর থেকে তার স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজান ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

কুমুদিনী হাসপাতালের এজিএম (অপারেশন) অনিমেষ ভৌমিক জানান, শিশুটির অবস্থা ভালো রয়েছে। গত ৩ এপ্রিল শনিবার ছুটি হলেও হাসপাতালের নার্সদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছিল।’

এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান ও টাঙ্গাইল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, শিশুটির মামার আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত