ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত প্রশ্নে দেওয়া রুল খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। গতকাল রবিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। ভার্চুয়ালি শুনানিতে এফবিসিসিআইর নির্বাচন বোর্ডের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহ মঞ্জরুল হক ও ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম।
অন্যদিকে রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান ও ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী। আইনজীবীরা জানান, নির্বাচন প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে জারি করা রুল প্রত্যাহার করতে এফবিসিসিআইর নির্বাচনী বোর্ড ও এফবিসিসিআইর সভাপতির পক্ষে আবেদন করা হয়। শুনানি নিয়ে আদালত রুল খারিজ করে আদেশ দিয়েছে। ফলে ৫ মে এফবিসিসিআইর নির্বাচন প্রক্রিয়া চালু রাখতে আর কোনো বাধা নেই।
রিটকারীর আইনজীবী খুরশীদ আলম খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আদালত রুলটি খারিজ করে দেওয়ায় এফবিসিসিআই নির্বাচনের আয়োজন করতে পারবে।’
এফবিসিসিআইর ৫ মের ঘোষিত নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ এপ্রিল রুল জারি করে হাইকোর্ট। করোনাভাইরাসজনিত পরিস্থিতি ও সরকার ঘোষিত ‘লকডাউনের’ মধ্যে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এফবিসিসিআইর জেনারেল বডির একজন সদস্য ও ভোটার আমির উদ্দিন বিপু রিট আবেদনটি করেন। আইনজীবীরা জানান, গত ৭ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক ট্রেড অর্গানাইজেশন পরিচালক জারিকৃত নোটিসে নির্বাচন প্রক্রিয়া চলমান রাখার কথা উল্লেখ করা হয়। স্মারকের ৩ নং শর্তে বলা হয়, যেসব বাণিজ্য সংগঠন স্বাস্থ্যবিধি মেনে বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজন এবং নির্বাচন বোর্ড কর্র্তৃক ঘোষিত তফসিল মোতাবেক নির্বাচন প্রক্রিয়া চলমান রেখেছে, সেসব বাণিজ্য সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভা এবং নির্বাচন সম্পন্ন করতে কোনো বাধা নেই। আবার একই স্মারকে এসব কার্যাবলী চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করার কথা বলা হয়।
রিটকারীর আইনজীবীরা বলেন, ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্সের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ট্রেড অর্গানাইজেশন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে। কিন্তু কভিড-১৯ পরিস্থিতিতে মন্ত্রণালয় বন্ধ থাকায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ অসম্ভব।
