সাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন মারা গেছেন গত জানুয়ারিতে। তিনি রেখে গেছেন লেখালেখির বিশাল ভান্ডার। সেই সাহিত্যকর্ম থেকে আবু হায়াত মাহমুদ নির্মাণ করেছেন ‘শহরের শেষ বাড়ি’।
নাটকটির চিত্রনাট্য করেছেন মাসুম শাহরিয়ার। অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, তানিয়া আহমেদ, জুনায়েদ বাগদাদী প্রমুখ।
প্রতি ঈদে রাবেয়া খাতুনের গল্প অবলম্বনে নির্মিত হয় ‘বাড়ি’ সিরিজের নাটক। তারই ধারাবাহিকতা এ ‘শহরের শেষ বাড়ি’।
পুরোনো প্রতিটা বাড়িরই বিচিত্র রকম গল্প থাকে। সেসব গল্প থেকে যায় আমাদের অজানা। একসময়ের শহরতলীর শেষ বাড়িটার চারপাশেই এখন বড় বড় অট্টালিকা। কিন্তু পুরোনো এক একটা বাড়ি বিচিত্র রকমের ঘটনার সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তেমনি একটা বাড়ির গল্প ‘শহরের শেষ বাড়ি’।
আমানুল্লাহ একসময় পুলিশে চাকরি করতেন। অনিয়মের অপরাধে এখন তার চাকরি নেই। অনেক বছর আগে বাড়িটা তিনি কৌশলে কব্জা করেছিলেন এক আসামির কাছে থেকে।
আমানুল্লাহর স্ত্রীর নাম গোলাপজান। তাদের দুই ছেলে-মেয়ে বিদেশে পড়াশোনা করে। একসময় বাড়ি ভর্তি লোক ছিল। এখন তাদের সঙ্গে থাকে অল্পবয়সের এক কাজের মেয়ে আর রহিম নামের এক ড্রাইভার।
গোলাপজানের ছোট ভাই মনোয়ার ছেলেবেলা থেকেই তার বোনের কাছেই বড় হয়। দুলাভাইর অনৈতিকতা, বোনের অহংবোধ মনোয়ারকে কষ্ট দেয়। কাজেই সামান্য একটা চাকরি নিয়ে সে চলে যায় ঢাকার বাইরে। সেই মফস্বল শহরেই মনোয়ারের পরিচয় হয় রেজওয়ানা নামের এক তরুণীর সঙ্গে। পিতৃমাতৃহীনা রেজওয়ানাও বড় হয়েছে তার ফুপুর কাছে। ঘটনাক্রমে রেজওয়ানা ও মনোয়ার বিয়ে করে ফেলে।
গোলাপজান নব দম্পতিকে ঢাকায় ডেকে নিয়ে আসে। বউকে রেখে মনোয়ার চলে যায় চাকরিতে। সপ্তাহান্তে বাড়ি ফিরে। এভাবে কেটে যায় বেশকিছু দিন। কিন্তু রেজওয়ানার মন টেকে না এই বাড়িতে। তার কাছে মনে হতে থাকে বাড়িটিতে অভিশাপ আছে।
‘শহরের শেষ বাড়ি’ ঈদের দিন রাত ৭টা ৪০ মিনিটে চ্যানেল আইতে প্রচার হবে।
