আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজবাড়ী দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাটে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। গণপরিবহন চলাচল না করলেও বিভিন্ন যানবাহনে দুর্ভোগের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি ভেঙে বাড়ি ফিরছে মানুষ।
গতকাল মঙ্গলবার সকালের দিকে যাত্রীর চাপ কম থাকলেও দুপুর থেকে বাড়তে শুরু করে। ৩, ৪ ও ৫ নম্বর ঘাট দিয়ে ছোট ফেরিগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ির সঙ্গে সাধারণ যাত্রীরা আসা-যাওয়া করেন। এ সময় আরও দেখা যায়, সাধারণ যাত্রীদের বেশিরভাগই স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েই ঘাট পার হচ্ছেন। তাদেও মধ্যে নেই কোনো সচেতনতা, এমন দৃশ্য দেখে মনেই হবে না যে দেশে করোনার প্রকোপ চলছে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শাওক হক বলেন, ভোরে ট্রাকে করে গাবতলী থেকে রওনা দিয়েছি, ভেঙে ভেঙে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় আসি। নদী পাড়ি দিয়ে এখন বিপাকে পড়েছি । মাহিন্দ্রা আর মাইক্রোবাস ছাড়া বাড়ি যাওয়ার উপায় নেই, তার ওপর অতিরিক্ত ভাড়া, কী আর করা বাড়ি তো বৌ-বাচ্চা নিয়ে যেতেই হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) ফিরোজ বলেন, ঈদের বেশি দিন নেই তাই অনেকে আগেই বাড়ি চলে যাচ্ছে তাদের পরিবার নিয়ে। লকডাউন কিছুটা শিথিল হওয়ার কারণে যাত্রী পারাপার বেড়ে গেছে। সকালের দিকে ফেরিতে ব্যক্তিগত গাড়ির সঙ্গে যাত্রীর চাপ থাকছে। বর্তমানে ১৪টি ফেরি চালু আছে।
