নিত্যপণ্যের বাজার লাগামহীন

আপডেট : ০৮ মে ২০২১, ০৫:১১ এএম

লাগামহীন হয়ে পড়েছে পটুয়াখালীর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার। চাল, ডাল, তেল, সবজি, মাছ, মাংস, ফলসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম চলে গেছে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। চলমান ‘লকডাউন’সহ রমজান ও ঈদ সামনে রেখে সুবিধাবাদী পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের অধিক মুনাফার বেপরোয়া স্বেচ্ছাচারিতায় অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে জেলার নিত্যপণ্যের বাজার।

দ্রব্যমূল্যের এমন লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে বেশি বিপাকে পড়েছে নিম্নমধ্যবিত্ত, নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীসহ লকডাউনের কারণে কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষ। তাদের জীবনযাপন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।

এদিকে বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোকানে পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শনের জন্য বলা হলেও অনেক দোকানেই তা টানানো নেই। স্থানীয় প্রশাসন মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ব্যবসায়ীদের জরিমানা করলেও কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না বাজারমূল্য। অনিয়ন্ত্রিত ও দুর্বল বাজারব্যবস্থা, নিয়মিত বাজার পর্যবেক্ষণে না রাখাকে দায়ী করেছেন ভুক্তভোগীরা।

সরেজমিনে জেলার বেশ কয়েকটি বাজারে দেখা যায়, পাইজাম চালের ২৫ কেজির বস্তা ১৩৫০ টাকা, বিআর-২৮ চালের ২৫ কেজির বস্তা ১২৫০ টাকা, মিনিকেট চালের ২৫ কেজির বস্তা ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেড় মাসের ব্যবধানে প্রকারভেদে এসব চালের ২৫ কেজির বস্তার দাম বেড়েছে দেড় শ থেকে আড়াই শ টাকা। বেড়েছে ভোজ্য তেলের দামও। সয়াবিন তেল ১৪০, সরিষার তেল ১৮০, চিনি ৮০ ও মসুর ডাল ১০০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজারও লাগামহীন। একই রকম অবস্থা ফলের বাজারেও। মাছের বাজারেও পড়েছে মূল্য বৃদ্ধির উত্তাপ। গরুর মাংস ৬০০ ও খাসির মাংস ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগি ৪৫০, কক-সোনালি ২৫০ ও ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, পটুয়াখালীর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম মিয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, বাজারব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত